The DU Speech https://www.duspeech.com/2022/11/portugal-visa-application-online%20.html

পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ | পর্তুগালের ভিসা আবেদন সম্পর্কে জানুন

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা অনেকেই পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে জানতে চান। তাই আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ নিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্টিকেল রাইটিং সংগঠনের আজকের আর্টিকেল আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করব পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে। পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে সকল কিছু জানতে এবং এই সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা নিতে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ুন।

আর্টিকেল সূচিপত্র (যে অংশ পড়তে চান তার ওপর ক্লিক করুন)

  1. পর্তুগাল কাজের ভিসা
  2. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  3. অনলাইন আবেদন
  4. কাজের জন্য কি কি দক্ষতা লাগবে
  5. কাজের নিয়োগ
  6. চাহিদা সম্পন্ন কাজ
  7. খরচ
  8. আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর
  9. লেখকের মন্তব্য

১.পর্তুগাল কাজের ভিসা | পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

কাজের জন্য মানুষ পর্তুগাল কাজের ভিসা নিয়ে থাকেন ।অন্যান্য দেশের তুলনায় এখানে কাজের চাহিদা বেশি এবং শ্রমিকদের গুরুত্ব বেশি দেওয়া হয়। তাছাড়া আপনি পর্তুগালের ভিজিট ভিসার মাধ্যমেও সেখানে গিয়ে কাজ করতে পারবেন। তাই আজকে আমরা জানিয়ে দিব পর্তুগাল কাজের ভিসা কিভাবে পাবেন এবং পর্তুগাল কাজের ভিসা পাবার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন এবং কিভাবে কোথায় আবেদন করবেন এই নিয়ে আজকের বিস্তারিত আলোচনা।

২.প্রয়োজনীয় কাগজপত্র | পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

পর্তুগাল কাজের ভিসা আবেদন করতে হলে নির্ধারিত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন ।এই সমস্ত কাগজপত্র অনুযায়ী  ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে এবং কি কি কাগজপত্র লাগবে তা আমরা নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলাম।
  • 6 মাস মেয়াদি পাসপোর্ট
  • এনআইডি কার্ডের ফটোকপি
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ফটোকপি
  • কৃষি কাজের দক্ষতার একটি সার্টিফিকেট
  • পূর্বে কাজ করার কোনো অভিজ্ঞতা
  • পূর্বে কোথাও ট্রাভেল করেছেন তার প্রমাণ

৩.অনলাইন আবেদন | পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

স্থানীয় সংস্থার মাধ্যমে পর্তুগালে কাজের ভিসার খরচ হতে পারে ১০ থেকে ১২ লক্ষ  টাকার মতো। পর্তুগালের যদি আপনার কোন আত্মীয় থাকে সেক্ষেত্রে যদি আপনি কাজের জন্য ইনভাইটেশন পান তাহলে আপনি খুব সহজেই চাকরি পেয়ে যাবেন এবং আপনার খরচ কিছুটা কমে যাবে।
 তাছাড়া আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন সেদেশের গভমেন্ট সাইটগুলো এবং জব সাইট গুলোতে খুব সহজে আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং সেখানে আমরা সিবিটি দেওয়ার পরে তারা আপনার ইমেইল এবং ফোন নাম্বার অনুযায়ী আপনাকে জানিয়ে দেবে। এবং আপনার ভিসা প্রসেস তারাই করে দিবে। এটার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ভিসা পেয়ে যাবে। আপনারা যদি অনলাইনের মাধ্যমে কাজের ভিসার অনলাইনে আবেদন করতে চান তাহলে এই লিংকে গিয়ে আপনারা অনলাইন আবেদন করতে পারবেন  https://www.schengenvisainfo.com/portugal-visa/ ।
আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওপর আবেদন করতে পারবেন এবং আপনার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সে সমস্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার সিভি তৈরি করে সাবমিট করবেন। এবং সিভিতে বিস্তারিত এবং সুন্দরভাবে আপনার বিষয়টি বা দক্ষতা টি তুলে ধরবেন তাহলে আপনাকে খুব সহজেই তারা ভিসা নিতে রাজি হবে। এটাই একমাত্র উপায় যেখান থেকে আপনি পর্তুগাল কাজের ভিসা পেতে পারেন। তাই আপনি যেকোন একটি কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করে খুব সহজেই পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে পারেন‌। তাই অবশ্যই সবার আগে দক্ষতা লাগবে ।

৪.কাজের জন্য কি কি দক্ষতা লাগবে |পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

অবশ্যই পর্তুগালে কাজ করার জন্য আপনার দক্ষতা প্রয়োজন।আপনাকে সাবলীলভাবে ইংরেজি ভাষা জানতে হবে এবং পর্তুগিজ ভাষা সম্পর্কে আপনাকে জেনে নিতে হবে। সেখানে আপনি রেস্টুরেন্ট এবং কম্পিউটার অপারেটর এবং ড্রাইভিং পদের জন্য যদি নিয়োগ হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনাকে দক্ষতা অবশ্যই থাকা লাগবে।
 আপনি অন্যান্য জায়গায় যে কাজগুলো করেছেন সেখান থেকে একটি প্রমাণ স্বরূপ রশিদ বা সার্টিফিকেট নিয়ে রাখবেন তাহলে আপনার দক্ষতা তারা যাচাই করতে পারবে। আর যদি আপনি পাইপ ফিটিং বা ক্লিনার পদের জন্য নিয়োগ পেয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকেই আপনাকে এই ধারণা গুলো নিয়ে যাওয়া লাগবে। তা না হলে আপনাকে কাজের অভিজ্ঞতার জন্য আবার বাংলাদেশে ফেরত আসা লাগতে পারে। তাই অবশ্যই এ সমস্ত অভিজ্ঞতা নিয়েই আপনি সেখানে পাড়ি জমাবেন। 
বাংলাদেশের টিটিসি সহ বিভিন্ন সরকারি মাধ্যমে যেগুলোর মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্কিলড হতে পারবেন ।যেমন ডাইভিং, হোটেল বয়, শেফ, পাইপ ফিটিং এ সমস্ত কাজের উপর আপনি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। এই টিপসগুলো আপনার জেলা এবং বিভাগ পর্যায়ে রয়েছে সেখানে সামান্য কিছু পরিমাণ টাকা নিয়ে আপনাদেরকে দক্ষ করে তৈরি করে দিবে এবং সার্টিফিকেট সহ।

পর্তুগালে ওয়েটারের কাজ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ভালোমতো ইংরেজি না হলে পর্তুগিজ জানতে হবে। তাহলে আপনি ওয়েদার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।এছাড়াও অনেক ধরনের ফ্যাক্টরি রয়েছে যেমন ফুট প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি, মাংস প্যাকেজ করার জন্য বিভিন্ন রকম ফ্যাক্টরি। সুপার সব, মাল্টি সব ক্লিনিং সব এই ধরনের বিভিন্ন সব রয়েছে যেগুলোতে কাদের চাহিদা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে।যাদের ভালো এডুকেশন কোয়ালিফিকেশন আছে। অর্থাৎ যারা কম্পিউটার সফটওয়্যার গ্রাফিক্স ডিজাইন এ ধরনের কাজ গুলো জানেন তারা চাইলে এই কাজগুলো এখানে পড়তে পারেন। যেটা অন্যান্য কাজ গুলো থেকে আরামদায়ক এবং বেশি ডিমান্ডিং।

৫.কাজের নিয়োগ | পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

বিদেশে যাওয়ার পরে সবথেকে কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়ায় কিভাবে কাজ পাওয়া যাবে। কারণ অনেক সময় মানুষ কাজের জন্য হতাশ হয়ে যায় ।এক্ষেত্রে আপনাকে হতাশ না হয়ে কাজ খুজতে হবে। কাজ খোঁজার জন্য আপনাকে যেগুলো করা লাগবে তা হল যে সমস্ত কোম্পানির ওয়েবসাইট আছে সেই সমস্ত কোম্পানির ওয়েবসাইটগুলোতে ভিজিট করে তাদের নতুন বিজ্ঞপ্তি গুলো দেখতে হবে এবং তাদের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী আপনাকে সিভি তৈরি করে সেখানে সাবমিট করতে হবে। তারা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী মেইলের মাধ্যমে এবং ফোন করে ডেকে নেবে। এভাবে আপনি পর্তুগালে কাজের অফার পেয়ে যাবেন।

৬.চাহিদা সম্পন্ন কাজ | পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

অন্যান্য দেশের তুলনায় পর্তুগালে ও কাজের চাহিদা বেশি রয়েছ।
বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া সহ বিভিন্ন দেশের মানুষ পর্তুগালে কাজের জন্য পাড়ি জমায়। বর্তমান সময়ে আগের তুলনায় পর্তুগালে এখন ব্যাপকভাবে শ্রমিক নিয়োগ দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। তারা বিভিন্ন ক্যাটাগরির উপরে শ্রমিক নিয়োগ দিচ্ছে।হোটেল বয়,কেয়ারিং ম্যান ,ক্লিনার ম্যান এবং কৃষি ভিসা সহ কম্পিউটার অপারেটর এবং ড্রাইভিং এ ব্যাপক ভাবে লোক নিয়োগ দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার।
 ড্রাইভিং পদে এবং ক্লিনার ম্যান এই দুই পদে ব্যাপকভাবে লোক নিয়োগ দিচ্ছে। বর্তমানে অন্যান্য কাজের তুলনায় এই কাজের উপর বেশি প্রয়োজন পড়ছে সে দেশের মানুষের। তাই কেউ যদি ড্রাইভিং শিখে সেই দেশে পাড়ি জমান তাহলে খুব সহজেই আপনি চাকরি পেতে পারেন। তাছাড়াও বর্তমানের শেফ এর কাজ শিখেও সেখানে খুব সহজেই কাজ পেতে পারেন ।বর্তমানে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে নিয়োগ দিচ্ছে। তাই উপরোক্ত বিষয়গুলোর উপর আপনি বাংলাদেশ থেকে বা যেকোন জায়গা থেকে দক্ষতা অর্জন করে আপনি খুব সহজেই সেখানে গিয়ে কাজ পেতে পারেন।

৭.খরচ | পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে এটা কেউ নির্দিষ্ট ভাবে বলতে পারবে না। কারণ ভিসার মেয়াদ ও সময়ের উপরে পর্তুগাল ভিসার দাম নির্ভর করে। এছাড়াও পর্তুগালে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভিসা রয়েছে। পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, টুরিস্ট ভিসা, মেডিকেল ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা ইত্যাদি। আপনার ক্যাটাগরির উপরে নির্ভর করবে পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে। তবুও আপনাদের প্রাথমিক একটু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করি।

আমাদের দেশ থেকে বেশিরভাগ মানুষ পর্তুগাল কাজের ভিসা নিয়ে যায়। বর্তমান সময়ে পর্তুগাল সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে কাজ করার জন্য জনশক্তি আমদানি করছে। আমাদের দেশ থেকে বহু মানুষ পর্তুগাল যাচ্ছে। বর্তমান পর্তুগাল কাজের ভিসার মূল্য প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। আপনাদের সামনে একটি আনুমানিক হিসাব দেওয়ার চেষ্টা করেছি। 

৯.আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর | পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩

পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ নিয়ে আপনাদের অনেকের অনেক রকম প্রশ্ন থাকে। এই অংশে আমরা কিছু প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব।
প্রশ্ন ১:বর্তমানে পর্তুগাল কাজের ভিসায় যাওয়া যাবে কিনা?
উত্তর:বর্তমানে পর্তুগাল কাজের ভিসায় যাওয়া যাবে।
প্রশ্ন ২:পর্তুগালে কাজ করার জন্য  দক্ষতা প্রয়োজন কি না?
উত্তর:অবশ্যই পর্তুগালে কাজ করার জন্য আপনার দক্ষতা প্রয়োজন।
প্রশ্ন ৩: বর্তমান পর্তুগাল কাজের ভিসার মূল্য কত টাকা?
উত্তর:বর্তমান পর্তুগাল কাজের ভিসার মূল্য প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। 

১০. লেখকের মন্তব্য

প্রিয় পাঠক, আজকে আমরা আলোচনা করলাম পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ নিয়ে। পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে আপনাদের যেকোনো মতামত আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।আপনাদের মতামত আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইন আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে যদি কোন রকম প্রশ্ন থাকে সেটিও আমাদেরকে জানাবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্টিকেল সংগঠন The DU Speech এর পাশেই থাকবেন। যেকোনো বিষয়ে জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।



আর্টিকেলটি লিখেছেন-

নুসরাত জাহান হিভা

শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। 

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?