The DU Speech https://www.duspeech.com/2022/11/romaniya-to-italy.html

রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত

বর্তমানে প্রবাসে যাওয়ার প্রবণতা সবার মধ্যেই দেখা যায়। সেটা বসবাসের জন্য হোক, কিংবা শিক্ষার জন্য হোক অথবা কর্মসংস্থানের জন্য, ঠিকমত তথ্য জেনে যাওয়া উচিত। অনেকে বিদেশে যাওয়ার পরে প্রতারণার শিকার হন কিংবা দালালের চক্রে পড়ে সর্বস্বান্ত হন।

 পৃথিবীর বেশিরভাগ রাষ্ট্রেই বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা অবস্থান করে কর্মসংস্থানের জন্য। বেশিরভাহ ইউরোপ কিংবা আমেরিকা মহাদেশের দেশগুলোতে যাওয়ার প্রবণতা খুব বেশি। ইউরোপ মহাদেশের দেশ হিসেবে রোমানিয়া এবং ইতালি দুইটি উল্লেখযোগ্য দেশ। আমাদের ওয়েবসাইটে দুইটি দেশ সম্পর্কে আর্টিকেল রয়েছে, সেগুলো পড়লে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। অনেকেই রোমানিয়াতে অবস্থান করছেন। তাদের একট প্রশ্ন জাগে যে কীভাবে রোমানিয়া থেকে ইতালিতে যাওয়া যায়। এই আর্টিকেলে আমরা রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় সম্পর্কে লিখবো। তাই রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় জানতে আমাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ন পড়বেন এবং 'The DU Speech' এর সাথেই থাকুন।

আর্টিকেল সূচিপত্র (যে অংশ পড়তে চান তার ওপর ক্লিক করুন)

  1. রোমানিয়া সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা
  2. ইতালি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা
  3. ইতালির ভিসার ধরণ
  4. ইতালি যেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  5. রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়
  6. রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার খরচ
  7. রোমানিয়া থেকে ফ্রান্সে যাওয়ার উপায়
  8. রোমানিয়া থেকে পর্তুগাল যাওয়ার উপায়
  9. আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর
  10. লেখকের মন্তব্য

১.রোমানিয়া সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়

রোমানিয়া ইউরোপ মহাদেশের একটি রাষ্ট্র। এটি ইউরোপের দক্ষিন পূর্বে অবস্থিত। দেশটির রাজধানীর নাম বুখারেস্ট। স্বাধীনতার পূর্বে দেশটি উসমানীয় সামাজ্রের অংশ ছিল। রোমানিয়া ২০০৪ সাল হতে ন্যাটোর সদস্য, এবং অচিরেই এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিতে যাচ্ছে। ১ জানুয়ারি, ২০০৭ থেকে রোমানিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ সদস্য । রোমানিয়া হল ইউরোপীয় ইউনিয়নের নবম বৃহত্তম আয়াতনের দেশ । এর আয়াতন হল ২৩৮.৪০০ বর্গ কিলোমিটার (৯২,০০০ বর্গ মাইল) ।

 রোমানিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সপ্তম বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ । রোমানিয়ার জনসংখ্যার ১৯ মিলিয়ন এর উপর । রোমানিয়ার রাজধানী বুখারেস্ট ইউরোপীয় ইউনিয়নের দশম বৃহত্তম শহর যাতে প্রায় ২ মিলিয়ন বা ২০ লাখ লোকের বসবাস। ১৫ শতকে উসমানীয় খেলাফতের শাসনাধীন এলাকা ছিল, ১৯ শতকে দিকে রাশিয়ার জার সাম্রাজ্যের সাহায্যে রোমানিয়ার প্রিন্স উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ও উসমানীয় সাম্রাজ্যকে প্লেভেনের যুদ্ধে পরাজিত করে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ।

 রোমানিয়ার সংবিধান ফ্রান্সের পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সংবিধানের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং তা ১৯৯১ সালের ৮ ই ডিসেম্বর একটি জাতীয় গণভোটে অনুমোদিত হয়েছিল। ২০১১ সালের জিডিপি ২৬৪ বিলিয়ন ও মাথাপিছু জিডিপি ১২,৩৫৮ ডলারে, রোমানিয়া উচ্চমধ্য আয়ের দেশ এবং এটি ১ জানুয়ারি ২০০৭ থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর সদস্য। ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী রোমানিয়ার জনসংখ্যা ছিল ২০,১২১,৬৪১ জন। রোমানিয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং এর কোন রাষ্ট্রীয় ধর্ম নেই। জনসংখ্যার সিংহভাগ খ্রিস্টান হিসাবে তাদের পরিচয় দেয়।


২. ইতালি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় 

ইতালি  একটি একীভুত প্রজাতান্ত্রিক সংসদীয় রাষ্ট্র। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত একটি দেশ।শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরকারী বিধায় শেনজেন ভিসা নিয়ে এ দেশে প্রবেশ করা যায়।ইউরোপীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত বিধায় এর মুদ্রা ইউরো। এ দেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু আছে। বর্তমানে এটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং বিশ্বের ২৩ তম উন্নত দেশ। জীবন মান বিচারে এটি সেরা ১০ এর মধ্যে।১.৮ বিলিয়ন জিডিপি নিয়ে ইতালি ইউরোপের চতুর্থ বৃহত্তম ও বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। এটি বিশ্বের ৮ম নমিনাল জিডিপি এবং ১০ম উচ্চতর জিডিপির দেশ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ইতালি। এটি শেনজেভুক্ত একটি দেশ। এটি জি৮, জি২০ এবং ন্যাটীর প্রভাবশালী সদস্য। 

৩.ইতালির ভিসার ধরণ । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় 

ইতালিতে বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে মানুষ পাড়ি জমায়। কেউ উচ্চশিক্ষার জন্য, কেউ প্রবাসে নাগরিকত্ব লাভের জন্য আবার কেউ কর্মসংস্থানের জন্য। এসবের ওপর ভিত্তি করে ইতালিতে বিভিন্ন ধরণের ভিসার প্রচলন আছে। একেক ভিসার ধরণ একেক রকম। প্রথমেদেখে নেয়া যাক বিভিন্ন ভিসার ধরণ-

ফ্যামিলি ভিসাঃ ইতালিতে পরিবার নিয়ে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে।সেজন্য চালু আছে ফ্যামিলি ভিসা। প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের মানুষ  এ ভিসার আওতায় এসে ইতা্লিতে পরিবারসহ পাড়ি জমাচ্ছে। এ ভিসার জন্য সকল প্রয়োজনীয় কাহজপত্র থাকলে এবং ঠিক পদক্ষেপ অবলম্বন করলে খুব তাড়াতাড়ি এ ভিসা পাওয়া সম্ভব। সাধারণত ১৫-৩০-দিনের মধ্যে এ ভিসা পাওয়া সম্ভব। এ ভিসায় একজন তার পরিবারকে সর্বোচ্চ ৩০-৯০ দিন পর্যন্ত বৈধভাবে ইতালিতে রাখতে পারবে।  
স্টুডেন্ট ভিসাঃ শিক্ষার্থী দের সকল সার্টিফিকেট এবং ভিসা অফিসে জমা দেওয়া স্কলারশিপের কাগজ পত্র সব ঠিক থাকলে ৯০ থেকে ১২০ কার্য দিবসের মধ্যে পছন্দের  বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন এবং ভিসার প্রসেসিং সকল কিছুই কমপ্লিট হয়ে যায়। পাশাপাশি পড়ালেখার পর বা পড়ালেখা চলাকালীন পার্ট টাইম জব ও করা যায়। 
ওয়ার্ক ভিসাঃ ইতালি তে গিয়ে যে কোন প্রকার এর বৈধ কাজ করার জন্য ওয়ার্ক ভিসা করা হয়। এই ভিসা সাধারণত দুই থেকে তিন বছর পর পর রিনিউ করতে হয় তা না হলে আপনি ইতালি তে বৈধ ভাবে বসবাস করতে পারবেন না। অর্থাৎ সর্বোচ্চ তিন বছর ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ থাকে। 

৪. ইতালি যেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়

ইতালিতে বিভিন্ন ধরণের ভিসার প্রচলন আছে। তারমানে ইতালি কাজের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণের ভিসা। ঘুরতে যাওয়ার জন্য এক ভিসা আবার পড়তে যাওয়ার জন্য এক ভিসা। প্রত্যেক ভিসার জন্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রয়োজন যেগুলা ছাড়া ইতালির ভিসা পাওয়া অসম্ভব। এই অংশে আমরা জানার চেষ্টা করবো কোন ভিসার জন্য কোন কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রয়োজন-

  • ফ্যামিলি ভিসাঃ
  1. ডিজিটাল পাসপোর্ট। আপনার ডিজিটাল পাসপোর্ট এ আগে থেকে কোনো প্রকার সংশোধন করা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ, স্কুল কিংবা কলেজ এর সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে ভিন্ন ভাবে এপ্লিকেশন করতে হবে।
  1. বিয়ের আসল লিগেল ম্যারেজ সার্টিফিকেট এবং বিয়ের ছবি।
  1. সকল কাগজ পত্র সমূহ সত্যায়িত হওয়া বাঞ্চনীয়।
  1. ভিসা আবেদন এর ফর্ম এ থাকা নিজের নাম, বাবা – মা এর নাম এবং ঠিকানার সাথে জাতীয় পরিচয় পত্র, জন্ম নিবন্ধন, সার্টিফিকেট এর মিল থাকতে হবে।
  1. ভিসা আবেদন এর ফর্ম এ নিজের স্বাক্ষর এবং ছোট বাচ্চা দের জন্য তাদের অভিভাবক দের স্বাক্ষর দিতে হবে।
  1.  ফুল ফ্যামিলি সার্টিফিকেট। 
  1. যদি টেলিফোনে বিয়ে হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে টেলিফোন ম্যারেজ সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
  1. ডিক্লারেশন।

  • স্টুডেন্ট ভিসাঃ
  1. ডিজিটাল পাসপোর্ট।

  1. চার কপি পাসপোর্ট সাইজ এর  রঙিন ছবি।
  2. আপনার পছন্দ মতো ইতালিয়ান যে কোনো ইউনিভার্সিটি এর অফার লেটার।
  3. স্কুল এবং কলেজ এর সকল মেইন সার্টিফিকেট, তার পাশাপাশি সকল পরীক্ষার মার্কশিট।
  4. IELTS স্কোর এর সার্টিফিকেট।
  5. এপ্লিকেশন ফর্ম। 
  6. ব্যাংক সলভেন্সির কাগজ পত্র। 
  7. ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম।
  8. শিক্ষার্থীদের সকল প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র গুলো ইন্টান্যাশনাল অরগানাইজেশান ফর মাইগ্রেশান থেকে ভেরিফিকাশন করে নিতে হবে।
  9. লিগেল আইডেন্টিটি ডকুমেন্টস।
  10. রিকমেন্ডেশন লেটার অথবা মোটিভেশনাল লেটার।
  11. সিভি এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
  12. আগের স্কুল কলেজ এর সকল সার্টিফিকেট এর মেইন কপি এবং ফটোকপি। অবশ্যই সকল সার্টিফিকেট গুলো শিক্ষাবোর্ড এবং ইতালি অ্যাম্বাসি কর্তৃক সত্যায়িত করে নিতে হবে। 



  • ওয়ার্ক ভিসাঃ
  1. ডিজিটাল পাসপোর্ট।
  2. ভোটার আইডি কার্ড ও জন্মসনদ
  3.  লিগেল আইডেন্টিটি ডকুমেন্টস। 
  4. ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম।
  5. পাসপোর্ট সাইজ এর  রঙিন ছবি।
  6. সরকার থেকে স্বীকৃত দেওয়া মেডিকেল ফিটনেস এর সনদ পত্র। 
  7. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।

৫.রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়

অনেকে রোমানিয়ায় অবস্থান করছেন এবং সিদ্ধান্তনিয়েছেন ইতালিতে চলে যাওয়ার। অনেকে ভুল পথে ইতালি যাওয়ারচেষ্টা করে অনেক বড় বিপদে পড়ে থাকে। অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করে অনেকে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। এর ফলে ইতালি যাওয়া তো দূরের কথা অনেকে বাধ্য হয়ে নিজ দেশে ফিরে আসতে হয়। এরকম কথা বা উপায়ের প্রচলন আছে যে রোমানিয়া থেকে ইতালি বৈধভাবীবং অবৈধভাবেও যাওয়া যায়।যারা নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা নাকরে, কোন পদ্ধতি অবলম্বন নয়া করে ইতালি যেতে চায়,তারাই মূলত অবৈধ পথ অবলম্বন করে। এই পথে রয়েছে ভয়াবহ বিপদ। আমরা দুইটি দিক নিয়েই আলোচনা করবো।


বৈধ উপায়ে রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়ঃ

  • রোমানিয়ায় কাজ করার বয়স বা সময় ১ বছরের অধিক হতে হবে।
  • রোমানিয়ায় আপনি যে কম্পানিতে কাজ করেছেন সেখানকার একটি এন.ও.সি( নো অবজেকসন সার্টিফিকেট)  থাকতে হবে।
  • আপনার একটি সিভি থাকতে হবে।নিতে হবে।
  • মেয়াদ সহ পাসপোর্ট থাকতে হবে।
  • রোমানিয়া কাজের জন্য ইতালি যেতে কতদিন লাগবে এটা অনেকটা নির্ভর করে কোম্পানির ওপর।
  • সর্বনিম্ন ২১ কর্মদিবস পার করে একটি TRC কার্ড পেতে হবে। তবে শুধু এই TRC কার্ড নিয়ে ইতালি যাওয়া যাবেনা।
  • TRC কার্ড পাওয়ার পর অন্তত ৩/৪ বছর অপেক্ষা করতে হয়। অপেক্ষা করার পর PRC কার্ড নিতে হবে।
  • বেশ খরচসাধ্য পদ্ধতি বলা চলে। পাশাপাশি ইংরেজির ওপর ভালো দক্ষতা থাকতে হয়।

অনেকে আছেন যে এত সময় অপেক্ষা করে ইতালি যেতে চাননা। শর্টকাট পদ্ধতি হিসেবে অনেকে অবৈধ পথে ইতালিতে প্রবেশ করে। এতে হয় তাড়াতাড়ী যাওয়া যায় কিন্তু রয়েছে অনেক ঝুঁকি। তাই এই পথে ইতালি যাওয়াকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
  • অনেকে দালাল ধরে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করেন। এক্ষেত্রে যাকে ধরছেন,সে অবশ্যই বিশ্বস্ত এবং পরিচিত হতে হবে এবং ইতালি থাকেন এমন কাউকে নিশ্চিত করতে হবে।কারণন অনেকে প্রতারক থাকে যারা সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যেতে পারে এবং আপনাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে যাবে।আমরা জানি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কেউ গ্রেফতার হলে তার জন্য থাকে ভয়াবহ শাস্তি। এজন্য সাবধানতার সাথে সব করতে হবে। 
  • সাথে পাসপোর্ট বা বৈধ কোন কাগজ পত্র রাখা যাবে না। লুকিয়ে রাখতে হবে।
  • টাকা একটু বেশি দিয়ে যাবেন যাতে করে জীবনের রিক্স হয় এমন কোন ব্যবস্থায় যাবেন না।
  • যাওয়ার বিষযে দালালের সাথে আলোচনা হলে  ইতালি পৌছে দেয়া পর্যন্ত চুক্তি করতে হবে।
  • কোন কারণে রোমানিয়া বা অন্য পুলিশের হাতে ধরা পড়লে বৈধ ঠিকানা বলা যাবে না।

অবৈধ উপায়ে ইতালি যাওয়া ( এড়িয়ে চলা শ্রেয়)


আরও পড়ুনঃ জেনে নিন বাংলাদেশের সকল শিক্ষাবৃত্তির তথ্য

৬.রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার খরচ। রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়

রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার খরচ সম্পর্কে জানা খুব দরকার। কারণ ভুল তথ্য নিয়ে অন্য দেশে পাড়ি জমানো বিপজ্জনক। সাধারণত রোমানিয়া থেকে ইতালি যেতে  ৩৫০০ ইউরোর মত খরচ হয়।তবে এটার কম বেশীও হতে পারে। আর যারা দালাল ধরে যাবেন তাদের পরিমাণটা নির্ভর করে চুক্তির ওপর।


৭.রোমানিয়া থেকে ফ্রান্স যাওয়ার উপায় । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়

অনেকেরই পছন্দের তালিকার দেশ ফ্রান্স। যারা বিশেষ করে রোমানিয়া থেকে ফ্রান্স যেতে চান তারা জানতে চান রোমানিয়া থেকে ফ্রান্সের দূরুত্ব কত কিলোমিটার তাদের প্রশ্নের উত্তোরে আমি বলবো এই দেশ থেকে মোট দূরুত্ব হলো ২২৫৫. কিলোমিটার আর এই দেশ থেকে গাড়িতে যেতে চাইলে আপনার মোট সময় লাগবে ২২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট। এই দেশ থেকে অন্যান্য দেশে যাওয়ার উপায় মূলত একই তাই যারা রোমানিয়া থেকে ফ্রান্স যেতে চাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্য বলতে চাই আপনি যদি  রোমানিয়া থেকে প্রথমে হাঙ্গেরিতে যেতে হবে আর আপনি হাঙ্গেরি যাওয়ার জন্য অনেক দালাল পাবেন আপনি শুধু খোঁজ খবর নিবেন দালালটি বিশ্বস্ত কিনা। তার পর আপনি এই দেশ থেকে খুব সহজেই ফ্রান্সে চলে যেতে পারবেন। এছাড়াও আপনি সরাসরি ফ্রান্সে যাওয়ার জন্য চুক্তি করতে পারেন তারা আপনাকে সরাসরি ফ্রান্সে পৌছে দিবে।

  • বৈধ ভাবে রোমানিয়া থেকে  ফ্রান্সে প্রবেশঃ
যদি রোমানিয়া আপনার কাজের বয়স সর্বনিম্ন এক বছর হয় । তবে আপনি কিছু কাগজ পত্র সংগ্রহ করে চলে যেতে পারেন ফ্রান্সে। আর তার জন্য যে সকল কাগজ পত্র লাগবে তাহলো নিম্ন রুপ- 
  1. আপনি সাধারণত দুধরনের ভিসা পেতে পারেন। একটি কাজের ভিসা আারেকটি হলো বেড়ানোর ভিসা আপনি যে কম্পনানিতে কাজ করতে আছেন সেই কম্পনির একটি এন.,সি ( নো অবজেশন সার্টিফিকেট
  1. মাসের ব্যাংক হিসাব আছে এই রকম একটি ব্যাংকের ট্রান্জেকশন রিপোর্ট। 
  1. আপনি যদি কাজের জন্য যান তবে যে কম্পানিতে কাজ পেয়েছেন তাদের অফার লেটার আর যদি আপনি বেড়ানোর উদ্দেশ্য যান তবে যার কাছে বেড়াতে যাচ্ছেন তার নাম ঠিকানা।
  1.  কোম্পানি থেকে ছুটির চিঠি। 
  1. সাথে আপনার পাসপোর্ট লাগবে। 
  1. টি.আর.সি কার্ডের একটি ফোট কপি লাগবে। 
  1. একটি কভার লেটার লাগবে।
  • ফ্রান্সের ভিসার আবেদনের নিয়ম
ফ্রান্সের ভিসার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে কিছু নির্ধারিত পদ্ধতি রয়েছে। এই পদ্ধতি ঠিকমতো অনুসরণ করলে এবং কাগজপত্রে কোন ভুল না থাকলে খুব সহজেই ভিসা পাওয়া যায়।কিন্তু ধাপ গুলো ঠিকমতো অনুসরণ না করলে ভিসা পাওয়া সম্ভাবনা কমে যায় এবং পাওয়া গেলেও অনেক সময়ের ব্যাপার হয়ে যায়। ফ্রান্সের ভিসা পাওয়ার জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ রয়েছে তা নিম্ন উল্লেখ করা হলো-
  1. যিনি ফ্রান্সে যেতে ইচ্ছুক তাকে ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ যিনি ফ্রান্সে যেতে চান তাকে আবেদন করা উচিত। অন্য কারোর হয়ে আবেদন না করাই শ্রেয়।
  1. ফ্রান্সের দূতাবাসে আবেদনটি করতে হবে অর্থাৎ ফ্রান্সে যাওয়ার ইচ্ছায় যদি স্থির থাকে।
  1. ফ্রান্সের ভিসার আবেদন করার ক্ষেত্রে একটু সময় নিয়ে আবেদন করা উচিত। এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
  1. ভিসার আবেদনের জন্য তিন সপ্তাহ থেকে তিন মাস সময় নেয়া উচিত।
  1. ভিসা পাওয়ার জন্য অন্তত দশ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এই সময়টাতে অধৈর্য না হওয়া উচিত। অধৈর্য হলে ভিসা প্রসেসিং এ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  1. ভিসার আবেদন এবং আনুষঙ্গিক ফি ঠিকমতো প্রদান করতে হবে।
  1. ভিসা ইস্যু হওয়ার পর ভ্রমণের উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা যাবে না।
  1. সকল কাগজপত্রের ফটোকপি এবং মূলকপি প্রদর্শন করতে হবে।
  1. কাগজপত্রগুলো ইংরেজি বা ফরাসি ভাষায় অনূদিত হতে হবে 


আরও পড়ুনঃ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম

৮. রোমানিয়া থেকে পর্তুগাল যাওয়ার উপায় । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় 

এই দেশ থেকে পর্তুগালে যাওয়া মোটামুটি একই নিয়ম। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় এই দেশে যাওয়া একটু সহজ। কারণ অন্যান্য দেশের তুলনায় এই দেশে মানুষ জন তুলনা মূলক কম যায়। যার ফলে এখানে কাজের লোকের খুব বেশি চাহিদা ।বিশেষ করে গ্রীস্মের সময় প্রচুর কাজের লোক লাগে। তখন দেখা যায় তারা প্রথমে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে লোক নিয়েথাকে তাই আপনি যদি রোমানিয়ার পাসপোর্ট হাতে পেয়ে থাকেন তাহলে উপরের নিয়ম গুলোর মত এই পদ্ধতিতে আবেদন করলেই খুবই সহজে ভিসা পেয়ে যাবেন। তাছাড়াও পালিয়ে যাওয়ার জন্যতো বিভিন্ন দালালের মাধ্যম রয়েছে। অনেকের ইচ্ছা থাকে রোমানিয়া থেকে পর্তুগালে যাওয়ার। অনেকে আবার পরিবারসহ সেখানে পাড়ি জমাতে চান। এক্ষেত্রে অবৈধ পন্থায় না গিয়ে বৈধ উপায়ে পর্তুগাল যাওয়া উচিত। অবৈধ উপায়ে গেলে অনেক সময় বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে পরিবার নিয়ে একটা ঝুঁকির মধ্যে পড়া খুব বিপদজনক হয়ে পড়ে। সবার উচিত বৈধ উপায়ে পর্তুগাল যাওয়া। রোমানিয়া থেকে পর্তুগাল যাওয়ার দুইটি ভিসা রয়েছে :

  1. ওয়ার্ক পারমিট ভিসা:
রোমানিয়া থেকে পর্তুগাল যাওয়ার সবচেয়ে সহজ ভিসা হল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। এই ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দিয়ে খুব সহজেই পর্তুগাল যাওয়া যায়। কারণ পর্তুগালের বিভিন্ন কাজের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য মানুষ আমদানি করা হয়।  যেমন সামার সিজনে ফার্মগুলোতে কাজের জন্য অনেক মানুষ নিয়োগ দেওয়া হয়। আর এই কাজের জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি লোক নেওয়া হয়। যেহেতু রোমানিয়া ইউরোপের একটি দেশ এবং আপনি রোমানিয়াতে বসবাস করছেন, আপনি খুব সহজেই পর্তুগালে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যেতে পারবেন। এজন্য পর্তুগালের যেসব ওয়েবসাইটে কাজের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় সেগুলো নিয়মিত দেখা উচিত।  যখন কোন কোম্পানির লোক প্রয়োজন হয় তখন তারা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন:
  • পাসপোর্ট লাগবে।
  • আপনি যে কোম্পানিতে চাকরি করেন সেই কোম্পানির একটি NOC পেপার লাগবে।

  1. ভিজিট ভিসা:
ভিজিট ভিসায় যেসব কাগজপত্র থাকতে হবে:
  • পাসপোর্ট
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট 
  • ছয় মাসের একটি ব্যাংক সলভেন্সি রিপোর্ট  
  • হোটেল বুকিং 
  • এয়ার টিকেট 
  • দুই কপি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড এর রঙিন ছবি 
  • ট্রাভেল ইন্সুরেন্স 
  • NOC পেপার 
এসব কাগজপত্রগুলো নিয়ে পর্তুগালের ভিসা প্রসেস করে এমন এজেন্সিগুলোতে জমা দিতে হবে। এসব সাবমিট করতে খুব একটা খরচ হয় না। আপনি যখন পর্তুগালে যে কোন হোটেল বুকিং দেবেন তখন আপনাকে লিগাল এন্ট্রি করতে হবে। এই লিগাল এন্ট্রি করার জন্য আপনাকে একটি ফর্ম দেয়া হবে। তারপর আপনি যখন একটি সোশ্যাল নাম্বার পাবেন বা একটি জব ম্যানেজ করতে পারবেন তার এক বছরের মধ্যেই আপনি একটি টিআরসি কার্ড পেয়ে যাবেন।
  • পর্তুগালের ভিসা প্রসেসিং
পর্তুগালের ভিসা প্রসেসিং করার জন্য যে ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে তা উল্লেখ করা হলো -
  1. শেনজেন ভিসা আবেদন ফরমটি পূরণ করতে হবে। ফরমটি 'ফর্মুলারিয়স' বিভাগে পর্তুগিজ দূতাবাসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়।
  1. রঙিন ছবি সংগ্রহ করতে হবে।
  1. আপনার পাসপোর্ট এর ফটো পৃষ্ঠার একটি অনুলিপি দিতে হবে। আপনার পাসপোর্টটি ট্রিপ শেষে কমপক্ষে তিন মাসের জন্য বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। পূর্বে জারি করা সমস্ত শেনজেন ভিসার অনলিপি তৈরি করতে হবে। 
  1. রাউন্ড ট্রিপে ফ্লাইটের টিকেট কিনতে হবে। টিকিটের অনুলিপি বা বৈদ্যুতিক ভ্রমণ রশিদটির একটি মুদ্রণ করুন।
  1. সমস্ত শেনজেন দেশগুলিতে কভারেজ সহ কমপক্ষে ৩০ হাজার ইউরোর একটি বিমা নীতি গ্রহণ করতে হবে।
  1. দেশে থাকার সময় একটি হোটেল বুক করতে হবে। মুদ্রণ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
  1. আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতা প্রমাণ করার জন্য নথি প্রস্তুত করতে হবে। এর নিশ্চিতকরণ কাজ থেকে একটি প্রশংসাপত্র হতে পারে, প্রতিষ্ঠানের লেটারহেডে মুদ্রিত, বেতনের অবস্থা এবং আকার নির্দেশ করতে হবে। আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বিবৃতি দিতে পারেন বা ভ্রমনকারীদের চেক কিনতে পারবেন।
  1. পর্তুগিজ দূতাবাসের কনসুলার বিভাগে একটি এপয়েন্টমেন্ট করুন। 
  1. নির্ধারিত সময়ে পর্তুগিজ দূতাবাসের কনসুলার বিভাগটি দেখুন।
  1. কনসুলেটে ভিসা ফি প্রদান করুন। এটি নিয়মিত এবং জরুরী প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য যথাক্রমে ৩৫ বা ৬০ ইউরোর সমতুল্য। ন্যূনতম পাঁচ দিনের মধ্যে ভিসা দেওয়া হয়। প্রয়োজনে পর্তুগিজ দূতাবাসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে কাগজপত্রের পর্যায়টি পরীক্ষা করতে পারেন। 

  • পর্তুগালের ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
পর্তুগাল ভিসা আবেদনের জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে। এই কাগজপত্র গুলো ছাড়া কেউ কোনোভাবেই পর্তুগাল যেতে পারবেনা। ভিসার আবেদন করার আগেই সবার উচিত এই কাগজপত্র গুলো সংগ্রহে রাখা। বিচার আবেদনের সময় যদি কোন একটি কাগজ না পাওয়া যায় তাহলে ভিসা প্রসেসিং অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। এতে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা আরও দীর্ঘমেয়াদি হবে এবং ভিসা পেয়ে গেলেও বিদেশে যাওয়ার পর বিভিন্ন ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে। পর্তুগালের আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন তা নিম্নে দেওয়া হলো-
  1. পাসপোর্ট এর সর্বনিম্ন তিন মাস মেয়াদ থাকতে হবে।
  1. পর্তুগিজ এফ এফ এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরমটি ডাউনলোড করতে হবে।
  1. নিজের নামে ভ্রমণ বা স্বাস্থ্য বীমা করা থাকতে হবে।
  1. পর্তুগাল ভিসা ফি প্রদান করেছেন তার প্রমাণ দিতে হবে।
  1. টিকিট বুকিং তথ্য দিতে হবে।
  1. পর্তুগাল ভিসা কভার লেটার বানাতে হবে এবং সেখানে আপনার ভ্রমণের কারণ এবং কতদিন থাকবেন সেই সম্পর্কিত বিষয়সমূহ উল্লেখ করতে হবে।
  1. আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি পর্তুগালে গিয়ে অর্থ খরচ করতে পারবেন এবং নিজে চলতে পারবেন।
  1. আপনি কোন কাজে পর্তুগাল যাচ্ছেন তার প্রমাণ দিতে হবে। 
  1. গত ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে হবে।
  1. ভ্রমনকারী শিক্ষার্থী হয়ে থাকলে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ বা সার্টিফিকেট দিতে হবে।
  1. অবসরপ্রাপ্ত হলে পেনশন পত্র দিতে হবে।
উপরিউক্ত কোন কাগজপত্র বাদ পড়লে ভিসা প্রসেসিং সম্ভব হবে না 

৯.আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন- উত্তর

আর্টিকেলটি পড়ার পর অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন জাগতে পারে। তাই এই অংশে আমরা প্রয়োজনীয় ও গুরত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর তুলে ধরবো যাতে আপনাদের যেকোন সন্দেহ দূর হয়।


প্রশ্ন ১ঃ সাধারণত রোমানিয়া থেকে ইতালি যেতে কত খরচ হয়?
উত্তরঃ ৩৫০০ ইউরোর মতো


প্রশ্ন ২ঃ দালালের মাধ্যমে ইতালি যেতে কত খরচ হয়?
উত্তরঃ নির্ভর করে চুক্তির ওপর


প্রশ্ন ৩ঃ TRC কি?
উত্তরঃ Temporary Resident Card


প্রশ্ন ৪ঃ PRC কি?
উত্তরঃ Permanent Resident Card


প্রশ্ন ৫ঃ TRC কার্ড নিয়ে ইতালি যেতে কতদিন অপেক্ষা করতে হয়?
উত্তরঃ ৩/৪ বছর


প্রশ্ন ৬ঃ কত কর্মদিবস পর TRC কার্ড দেয়া হয়?
উত্তরঃ ২১ কর্মদিবস পর


প্রশ্ন ৭ঃ রোমানিয়ায় কাজ করার বয়স কতদিন হতে হবে?
উত্তরঃ সর্বনিম্ন ১ বছর


প্রশ্ন ৮ঃ ফ্যামিলি ভিসা পাওয়া যায় কতদিনের মধ্যে?
উত্তরঃ ১৫-৩০ দিনের মধ্যে


প্রশ্ন ৯ঃ স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যায় কতদিন পর?
উত্তরঃ ৯০-১২০ দিনের মধ্যে


প্রশ্ন ১০ঃ ওয়ার্ক ভিসা পাওয়া যায় কতদিনের মধ্যে?
উত্তরঃ দুই মাসের মধ্যে


প্রশ্ন ১১ঃওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ থাকে কতদিন?
উত্তরঃ ৩ বছর


প্রশ্ন ১২ঃ ফ্যামিলি ভিসায় কতদিন বৈধভাবে ফ্যামিলিকে ইতালিতে রাখা যায়?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৯০ দিন


১০.লেখকের মন্তব্য । রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়

এতক্ষন ধরে আমাদের আর্টিকেলটি পড়ার পর আশা করছি আপনাদের রোমানিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার উপায় সম্পর্কে একটা ধারণা হয়েছে। পাশাপাশি দুইটি দেশ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেয়ায় আপনাদের একটা স্পষ্ট ধারণা হবে যে কোন দেশে থাকাটা ভাল হবে।  আপনাদের সকল ধরণের তথ্যের চাহিদা মেটাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টিকেল রাইটিং সংগঠন The DU Speech কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে যেকোন বিষয় সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। আর আপনাদের কোন মতামত থাকলে তা অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আপনাদের মতামত আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।


পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?