The DU Speech https://www.duspeech.com/2023/01/high-courte-case-way.html

হাইকোর্ট এবং কোর্টে মামলা করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্ট। সুপ্রীম কোর্টের দুটি বিভাগ- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ। এই হাইকোর্টকে সাধারণত উচ্চ আদালত ও কোর্ট কে নিম্ন আদালত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেকোন মামলার ক্ষেত্রে প্রথমে নিম্ন আদালতে মামলা করতে হয় এবং পরে এটি হাইকোর্টে যায়। তাই হাইকোর্ট ও কোর্টে মামলা করার নিয়ম আলাদা।আমাদের এই আর্টিকেলের মূল উদ্দেশ্য হলো হাইকোর্ট ও কোর্টে মামলা করার নিয়ম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা।

আর্টিকেলের সূচিপত্র ( যে অংশ পড়তে চান তার উপর ক্লিক করুন)

  1. হাইকোর্টে মামলা করার নিয়ম 
  2. কোর্টে মামলা করার নিয়ম 
  3. প্রশ্ন-উত্তর সেকশন 
  4. লেখকের মন্তব্য 


1. হাইকোর্টে মামলা করার নিয়ম | হাইকোর্টে ও কোর্টে মামলা করার নিয়ম 

হাইকোর্টে বিভিন্নভাবে মামলা হতে পারে। নিম্ন আদালতে বিচার প্রক্রিয়া শেষ  হওয়ার পর রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে ( হাইকোর্টে) আপীল হতে পারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য উচ্চ আদালতে আসতে পারে।আবার নিম্ন আদালতে চলমান বিচার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা হতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে হাইকোর্ট কোনও নির্দিষ্ট মামলার ব্যাপারে নিম্ন আদালতকে নির্দেশনা দেয় আবার অনেক ক্ষেত্রে মামলাটিকে উচ্চ আদালতে নিয়ে আসে।

কিছু কিছু মামলা আছে যেগুলোতে সরাসরি হাইকোর্টে যেতে হয়,যেমন- রিট, কোম্পানি সংক্রান্ত মামলা,এডমিরালটি বা সমুদ্রগামী জাহাজ সংক্রান্ত মামলা প্রভৃতি ।

হাইকোর্টে সাধারণত সরাসরি মামলা করা যায় না। নিম্ন আদালতে কোনও মামলায় সন্তুষ্ট না হওয়া গেলে তখন হাইকোর্টে আপীল করতে হয়। 

হাইকোর্টে সরাসরি রিট করা যায় ।রিট সম্পর্কে বলা আছে  সংবিধানের আর্টিকেল ১০২ এ। হাইকোর্ট যেহেতু দেশের উচ্চ আদালত তাই এখানে মামলা করার ক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিত কোন কোন মামলা এখানে করা যায়।যেহেতু বিশেষ কিছু ক্ষেত্র ছাড়া এখানে মামলা করা যায় না তাই কোর্টে মামলা করার নিয়ম জানা আরো বেশি জুরুরি।


2.কোর্টে মামলা করার নিয়ম |হাইকোর্টে ও কোর্টে মামলা করার নিয়ম 

নিম্ন আদালতে মামলা করা জনসাধারণের কাছে "কোর্টে মামলা " করা নামে প্রচলিত। বিভিন্ন ধরনের ক্রাইম বর্তমান সময়ের নিত্যদিনের কাহিনি । 

মানুষ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অপরাধ করে যাচ্ছে । সন্ত্রাসী,  খুন, ধর্ষণ,  ডাকাতি, অপহরণ, ইত্যাদি সমাজের নিত্যদিনের ঘটনা। কিন্ত কোনও মানুষের সাথে যখন এরকম কোনও অপরাধ সংঘটিত হয়ে যায় তখন তার আইনি সহায়তা নেওয়া উচিত। এজন্যই মূলত জানা দরকার কিভাবে হাইকোর্টে ও কোর্টে মামলা করা যায়। 

উপরোক্ত অপরাধ গুলোর জন্য সরাসরি হাইকোর্টে মামলা করা যায় না ,প্রথমে নিম্ন আদালতে মামলা করতে হয়। 

যখন এরকম কোনও ঘটনা ঘটে সাথে সাথেই ভুক্তভোগীকে থানায় যেতে হবে।সেখানে ঘটনার বিস্তারিত বলতে হবে। এবং একটি এজহার লিখতে হবে বাদীকে।বাদী নিজে লেখতে না পারলে দায়িত্বরত থানার পুলিশ কর্মকর্তার কাছে থেকে সাহায্য নিতে হবে।এভাবেই কোন মামলার সূচনা হয়।


3. প্রশ্ন-উত্তর সেকশন 

প্রশ্ন: রিট সম্বলিত সংবিধানের আর্টিকেল কোনটি?

উত্তর: আর্টিকেল ১০২

প্রশ্ন: রিট কত প্রকার?

উত্তর: পাঁচ প্রকার। 

প্রশ্ন: হাইকোর্টে  সরাসরি যেকোন মামলা করা যায়?

উত্তর: না , যায় না। তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে যায়।যেমন - রিট, কোম্পানি সংক্রান্ত মামলা,এডমিরালটি বা সমুদ্রগামী জাহাজ সংক্রান্ত মামলা প্রভৃতি ।


4. লেখকের মন্তব্য 

নিজের অধিকার ক্ষুণ্ণ রাখার জন্য  মানুষের দেশের আইন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা জরুরি। যদি বিশেষ কোনও কারণে অধিকার লঙ্ঘন হয় তাহলে মামলা করতে হবে।আর এজন্যই জানা উচিত হাইকোর্টে ও কোর্টে মামলা করার নিয়ম। 

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?