The DU Speech https://www.duspeech.com/2022/12/second-world.html

হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ? বিস্তারিত জানুন

হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন এ বিষয়ে অনেকেই সঠিক তথ্য জানেন না। তাই হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন এই সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান। আজকে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করবো হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন তা নিয়ে। হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন এই বিষয়ে সকল কিছু জানতে হলে আজকের আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ুন।

আর্টিকেল সূচিপত্র (যে অংশ পড়তে চান তার ওপর ক্লিক করুন)

  1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ
  3. আডলফ হিটলার
  4. বেনিতো মুসোলিনি
  5. অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর
  6. লেখকের মন্তব্য

১.দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ | হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মানবসভ্যতার ইতিহাসে এ যাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল, এই ছয় বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সীমা ধরা হলেও ১৯৩৯ সালের আগে এশিয়ায় সংগঠিত কয়েকটি সংঘর্ষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।তৎকালীন বিশ্বে সকল পরাশক্তি এবং বেশিরভাগ রাষ্ট্রই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং দুইটি বিপরীত সামরিক জোটের সৃষ্টি হয়; মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তি। এই মহাসমরকে ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্তৃত যুদ্ধ বলে ধরা হয়, যাতে ৩০টি দেশের সব মিলিয়ে ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রসমূহ খুব দ্রুত একটি সামগ্রিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং সামরিক ও বেসামরিক সম্পদের মধ্যে কোনরকম পার্থক্য না করে তাদের পূর্ণ অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে।

এছাড়া বেসামরিক জনগণের উপর চালানো নির্বিচার গণহত্যা, হলোকস্ট (হিটলার কর্তৃক ইহুদীদের উপর চালানো গণহত্যা), পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োগ প্রভৃতি ঘটনায় কুখ্যাত এই যুদ্ধে প্রায় ৫ কোটি থেকে সাড়ে ৮ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। এসব পরিসংখ্যান এটাই প্রমাণ করে যে এটাই পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম যুদ্ধ।

এই যুদ্ধে নব্য আবিষ্কৃত অনেক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের। মহাযুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যেই এই মারণাস্ত্র উদ্ভাবিত হয় এবং এর ধ্বংসলীলার মধ্য দিয়েই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। সকল পুণর্গঠন কাজ বাদ দিলে কেবল ১৯৪৫ সালেই মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই যুদ্ধের পরপরই সমগ্র ইউরোপ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়; এক অংশ হয় পশ্চিম ইউরোপ আর অন্য অংশে অন্তর্ভুক্ত হয় সোভিয়েত রাশিয়া। পরবর্তীতে এই রুশ ইউনিয়নই ভেঙে অনেকগুলো ছোট ছোট রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল। পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহের সমন্বয়ে গঠিত হয় ন্যাটো আর সমগ্র ইউরোপের দেশসমূহের সীমান্তরেখা নির্ধারিত হতে শুরু করে। ওয়ারস প্যাক্টের মাঝে অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ নিয়ে দানা বেঁধে উঠে স্নায়ুযুদ্ধ। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বমঞ্চে অভিনব এক নাটকের অবতারণা করে।



২. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ | হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবে এ নিয়ে একটি সাধারণ ধারণা রয়েছে যা অনেকাংশে গ্রহণযোগ্য। এই কারণটি যুদ্ধোত্তর সময়ে মিত্রশক্তির দেশসমূহের মধ্যে তোষণ নীতির মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায় যা নির্দেশক শক্তির ভূমিকা পালন করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি এবং জাপানের আধিপত্য ও সাম্রাজ্যবাদকে দায়ী করে এই কারণটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে যার বিস্তারিত এখানে উল্লেখিত হচ্ছে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি তার সম্পদ, সম্মান এবং ক্ষমতার প্রায় সবটুকুই হারিয়ে বসে। এর সাম্রাজ্যবাদী চিন্তাধারার মূল কারণ ছিল জার্মানির হৃত অর্থনৈতিক, সামরিক এবং ভূমিকেন্দ্রিক সম্পদ পুনরুদ্ধার করা এবং পুনরায় একটি বিশ্বশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা। এর পাশাপাশি পোল্যান্ড এবং ইউক্রেনের সম্পদসমৃদ্ধ ভূমি নিয়ন্ত্রণে আনাও একটি উদ্দেশ্য হিসেবে কাজ করেছে। জার্মানির একটি জাতীয় আকাঙ্ক্ষা ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপর সম্পাদিত ভার্সাই চুক্তি হতে বেরিয়ে আসার। এরই প্রেক্ষাপটে হিটলার এবং তার নাৎসি বাহিনীর ধারণা ছিল যে একটি জাতীয় বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে সংগঠিত করা সম্ভব হবে।

যুদ্ধের মূল কারণ ছিল মিত্র শক্তির এক পক্ষ চুক্তি। মিত্র শক্তির এই এক পক্ষ চুক্তি জার্মানিরা মেনে নিতে পারেনি তারা ভাবে যে তাদের সাথে পক্ষপাত্তি করা হয়েছে। তাই তাদের মনে একটা ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

৩. আডলফ হিটলার | হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন?

আডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ যিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর এবং ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সে দেশের ফিউরার ছিলেন। হিটলার প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে ভাইমার প্রজাতন্ত্রে নাৎসি পার্টির নেতৃত্ব লাভ করেন। অভ্যুত্থান করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন যে কারণে তাকে জেল খাটতে হয়েছিল। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মোহনীয় বক্তৃতার মাধ্যমে জাতীয়তাবাদ, ইহুদি বিদ্বেষ ও সমাজতন্ত্র বিরোধিতা ছড়াতে থাকেন। এভাবেই এক সময় জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হন। 

নাৎসিরা তাদের বিরোধী পক্ষের অনেককেই হত্যা করেছিল, রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ঢেলে সাজিয়েছিল, সামরিক বাহিনীকে নতুন নতুন সব অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করেছিল এবং সর্বোপরি একটি সমগ্রতাবাদী ও ফ্যাসিবাদী একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল। হিটলার এমন একটি বৈদেশিক নীতি গ্রহণ করেন যাতে সকল "লেবেনস্রাউম" (জীবন্ত অঞ্চল) দখল করে নেয়ার কথা বলা হয়। ১৯৩৯ সালে জার্মানরা পোল্যান্ড অধিকার করে এবং ফলশ্রুতিতে ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

যুদ্ধের অক্ষ শক্তি তথা জার্মান নেতৃত্বাধীন শক্তি মহাদেশীয় ইউরোপ এবং আফ্রিকা ও এশিয়ার বেশ কিছু অঞ্চল দখল করে নিয়েছিল। কিন্তু অবশেষে মিত্র শক্তি বিজয় লাভ করে। ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। হিটলারের রাজ্য জয় ও বর্ণবাদী আগ্রাসনের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়। ৬০ লক্ষ ইহুদিকে পরিকল্পনামাফিক হত্যা করা হয়। ইহুদি নিধনের এই ঘটনা ইতিহাসে হলোকস্ট নামে পরিচিত।

১৯৪৫ সালে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে হিটলার বার্লিনেই ছিলেন। লাল ফৌজ যখন বার্লিন প্রায় দখল করে নিচ্ছিল সে রকম একটা সময়ে ইভা ব্রাউনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তিনি ফিউরারবাংকারে সস্ত্রীক আত্মহত্যা করেন।

৪. বেনিতো মুসোলিনি | হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন?

বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক। ইতালির এই একনায়ক ১৯২২ সাল থেকে ১৯৪৩ সালে তার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত সমগ্র রাষ্ট্রের ক্ষমতাধর ছিলেন। মুসোলিনি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধকালে জার্মান একনায়ক এডল্‌ফ হিটলার- এর একান্ত বন্ধুতে পরিনত হন আর তাকে প্রভাবিত করেন। মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে যোগদান করেন । তিন বছর পর মিত্রবাহিনী ইতালী আক্রমণ করে। ১৯৪৫ সালে সুইজারল্যান্ডে পালাবার সময় তিনি কম্যুনিস্ট প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন এবং পরে তাকে হত্যা করা হয়।


৫.অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর | হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন?

অক্ষশক্তি বলতে সেসব দেশকে নির্দেশ করা হয় , যারা মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। অক্ষশক্তির প্রধান তিনটি রাষ্ট্র হল জার্মানি, ইটালী এবং জাপান। এই তিনটি রাষ্ট্র ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে একটি সামরিক জোট গড়ে তোলে। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে অক্ষশক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর সাথে সাথে তাদের ইউরোপ, আফ্রিকা, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত কলোনিগুলোও অক্ষশক্তির অংশ হয়ে যায়। মিত্রশক্তির মতই অক্ষশক্তিতেও বেশ কিছু দেশ নাম লিখিয়ে যুদ্ধ চলাকালীন সময়েই তা প্রত্যাহার করে নেয়।

অক্ষ কথাটি সর্বপ্রথম আলোচনায় আনেন হাঙ্গেরীর ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী গাইওলা গমবোস (Gyula Gömbös)। তিনি জার্মানি, হাঙ্গেরী, এবং ইতালী এই তিনটি রাষ্ট্র নিয়ে একটি জোট গঠনের জন্য কাজ করছিলেন। এছাড়া তিনি জার্মানি এবং ইতালীর মাঝে মতভিন্নতা দূর করার কাজে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। কিন্তু ১৯৩৬ সালে মিউনিখে জার্মানির সাথে আলোচনায় গিয়ে তার হঠাৎ মৃত্যু হয়। পরবর্তিতে হাঙ্গেরীর ক্ষমতায় আসে ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তি। এর মাধ্যমে হাঙ্গেরী অক্ষশক্তির সাথে প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা থেকে সরে আসে। তারপরেও জার্মানি এবং ইতালীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক অক্ষশক্তি গঠিত হয়।

১৯৩৬ সালের নভেম্বরে ইতালীর একনায়ক বেনিতো মুসোলিনি আবার অক্ষ শব্দটি আলোচনায় আনেন। তিনি রোম-বার্লিন অক্ষের উত্থানের সময় এই অক্ষের কথা বলেন। পরবর্তিতে রাষ্ট্র দুটি জোট গঠন করে। মুসোলিনি এই জোটকে প্যাক্ট অব স্টীল বলে অভিহিত করেন।আনুষ্ঠানিক ভাবে অক্ষ শক্তি নামকরণ করা হয়। ১৯৪০ সালে জার্মানি, ইতালী এবং জাপান ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরের পর। পরবর্তিতে হাঙ্গেরী (২০শে নভেম্বর, ১৯৪০), রোমানিয়া (২৩শে নভেম্বর, ১৯৪০), স্লোভাকিয়া (২৪শে নভেম্বর, ১৯৪০) এবং বুলগেরিয়া (১লা মার্চ, ১৯৪০) ঐ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

৬. লেখকের মন্তব্য | হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন?

আজকে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন তা নিয়ে। আশা করি হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন এ বিষয়ে আপনারা সব কিছু বুঝতে পেরেছেন। হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন এ বিষয়ে যদি আপনার কোন প্রশ্ন থাকে সেটি আমাদের জানাতে পারেন। হিটলার ও মুসোলিনি কত সালে অক্ষশক্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন এ বিষয়ে আপনার কি মতামত সেটি আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।
আর্টিকেলটি লিখেছেন: নুসরাত জাহান হিভা 
পড়াশোনা করছেন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
লেখকের জেলার নাম: কুমিল্লা



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্টিকেল রাইটিং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা
মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন
পড়াশোনা করছেন:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। 
জেলা: নাটোর

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?