The DU Speech https://www.duspeech.com/2022/11/guchho-vorti-recent-porikkha.html

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ | গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে জানুন


গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ সম্পর্কে জানতে অনেকে  আগ্রহী। বর্তমান সময়ে ঘরে বসে খুব সহজে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার ২০২৩ সহ নানা বিষয় আমরা প্রযুক্তির উন্নয়নে জানতে পারি।বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে  একটি  উল্লেখযোগ্য ভর্তি  পরীক্ষা  হলো গুচ্ছ ভর্তি  পরীক্ষা ২০২৩।খুব শীঘ্রই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ সংঘটিত হতে চলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্টিকেল রাইটিং সংগঠন  এ বছরের  গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার ২০২৩ সম্পর্কে  আর্টিকেল প্রকাশ করেছে।তাই  গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার ২০২৩ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আর্টিকেলটি সম্পূর্ন পড়ুন।

  সূচীপত্র (যে অংশ পড়তে চান তার ওপর ক্লিক করুন) 

  1. গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও তালিকা। 
  2. গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা
  3. গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন ও প্রস্তুতি
  4. গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস।
  5. গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের প্রক্রিয়া ও কেন্দ্র 
  6. গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা যাচাই পদ্ধতি। 
  7. আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর।
  8. লেখকের মন্তব্য। 

1.গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও তালিকা ।গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩।
বাংলাদেশে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষায় একটি আমূল-পরিবর্তন আসে ২০২০ সালে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে। ২০২০ সালে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার আওতায় মূলত ২২ টি পাবলিক সাধারণ এবং  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত করে। তার মধ্যে ১০ টি সাধারণ এবং ১২ টি বিজ্ঞান ও  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিতভাবে ২০২০ সালে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও তালিকা 

  • সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়

  1. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর। 
  3. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
  5. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।
  6. শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়,নেএকোনা।
  7. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়।
  8. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
  9. বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়,কিশোরগঞ্জ। 
  10. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া। 
এছাড়াও ১২টি  

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা 


  1. হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  2. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  3. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  4. মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
  5.  বঙ্গমাতা শেখ  ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  6. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর ডিজিটাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।(নতুন)। 
  7. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। 
  8. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  9. যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  10. রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান  ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  11. পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  12. চাঁদপুর বিজ্ঞান  ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।(নতুন) 
মূলত শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার যাতায়াত ও আর্থিক সুবিধার জন্য কষ্ট লাঘব করতে এই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ। 

 2.গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা।গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২২ মোতাবেক আবেদনের যোগ্যতায় ইউনিট ভিত্তিক যোগ্যতা লক্ষ্য করা যায়। এবার ও দেশের ২২ টি সাধারণ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভিত্তিক পরীক্ষায় জিপিএ এর ভিত্তিতে আবেদনের যোগ্যতা যাচাই করা হবে।


যাদের ২০১৯/২০২০ এস.এস.সি. এবং ২০২১/২০২২ এইচ.এস.সি.  ( সমমান)   পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কেবলমাত্র তারাই  গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ সালে অংশগ্রহণ করতে পারবে।তাছাড়াও মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য আলাদা শর্তাবলী প্রযোয্য।

  • বিজ্ঞান বিভাগ (এ ইউনিট) এর  যোগ্যতা

বিজ্ঞান বিভাগ বা এ ইউনিট থেকে এস.এস.সি  ও এইচ.এস.সি.বা সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম  ৩.৫০ জিপিএ সহ মোট ৮.০০ জিপিএ পেতে হবে।
 

  • মানবিক বিভাগ  (বি ইউনিট) যোগ্যতা

বি ইউনিট বা মানবিক বিভাগ এর জন্য এস. এস.সি ও এইচ.এস.সি. বা এর সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় সহ নূন্যতম জিপিএ ৩.০ বা মোট জিপিএ ৬.০ থাকতে হবে। 

  
এছাড়াও সাধারণ বোর্ড,কারিগরি, মিউজিক বা গার্হস্থ অর্থনীতি সকল কিছু মানবিক বিভাগ এর অর্ন্তভুক্ত হবে।


  • বাণিজ্য বিভাগ (সি ইউনিট) ভর্তির যোগ্যতা
বাণিজ্য বিভাগ বা সি ইউনিট এর জন্য এস.এস.সি. এবং এইচ.এস.সি. এ চতুর্থ বিষয় সহ নূন্যতম জিপিএ ৩.০ এবং কমপক্ষে জিপিএ মোট ৬.৫ থাকতে হবে। 

এছাড়াও সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাণিজ্য শাখাসহ ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা (এইচএসসি) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স বাণিজ্য শাখা বলে বিবেচিত হবে।

ইংরেজি মাধ্যমের ক্ষেত্রে:
ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের আবেদনের মাধ্যমে সমমান ও যোগ্যতা নির্ভর কমিটি কর্তৃক  অনুমতি ক্রমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।ও লেভেল পরীক্ষায় ৩ টি বিষয়ে বি গ্রেড সহ ৫ টি বিষয়ে পাশ  এবং আই এ এল (এ লেভেল)  পরীক্ষায় কমপক্ষে ২ টি বিষয়ে বি গ্রেড সহ ৩ টি বিষয়ে পাশ করতে হবে। 

3.গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষার মানবন্টন। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভাগ অনুযায়ী প্রশ্ন পদ্ধতি ভিন্ন হবে।



 গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা২০২৩ :এ বছরও আই.সি.টি. বিষয়টি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে না।তবে বিজ্ঞান বিভাগ এর বিভাগ ভিত্তিক বিষয় গুলোর চতুর্থ বিষয় গুলো উত্তর করতে না চাইলে বাংলা বা ইংরেজি থেকে উত্তর করা যাবে।

 বিজ্ঞান বিভাগ এর ক্ষেত্রে মানবন্টন :

  • এ ইউনিট ( বিজ্ঞান) : বিজ্ঞান বিভাগ এর শিক্ষার্থীদের তাদের বিভাগ ভিত্তিক বিষয়গুলোর সাথে বাংলা,ইংরেজি থেকে প্রশ্ন থাকব। প্রতিটি বিষয় থেকে নৈবিত্তিক প্রশ্ন থাকবে। 

  1. ঐচ্ছিক বিষয় (বাংলা/ইংরেজি) :২৫ নম্বর 
  2. পদার্থ :২৫
  3. রসায়ন:২৫
  4. জীববিজ্ঞান /গণিত :২৫
মোট নম্বর :১০০ নম্বর 

  • বি ইউনিট (মানবিক) :


  •  মানবিক বিভাগ এর বিষয়  ভিত্তিক বাংলা,ইংরেজি এবং সাধারণজ্ঞান  বিষয় থেকে উত্তর করতে হবে।
  1. বাংলা:৩৫
  2. ইংরেজি :৩৫
  3. সাধারণজ্ঞান :৩০ 

  • সি ইউনিট (ব্যবসায় শিক্ষা) :


 ব্যবসায় শিক্ষায় বিষয় ভিত্তিক হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, বাংলা এবং ইংরেজি বিষয় থেকে প্রশ্ন করা হবে।
  1. হিসাববিজ্ঞান :৩৫ 
  2. ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা:৩৫
  3. বাংলা :১৫
  4. ইংরেজি :১৫
মোট :১০০ নম্বর। 
প্রতিটি বিভাগের জন্য ১০০ নম্বরের বিষয় ভিত্তিক  প্রশ্নের জন্য ১ ঘন্টা সময় নির্ধারিত। লিখিত অংশ থাকবে না।ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং প্রতিটি ভুল  উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

পরীক্ষা প্রস্তুতি:

যেহেতু গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ থাকছে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে সেহেতু এই পরীক্ষা সর্তকতা এবং পূর্বপ্রস্তুতি অতীব জরুরী। 
বিজ্ঞান বিভাগের জন্য -

বিষয় সমূহ হলো: 

বাংলা, ইংরেজি, পদার্থ, রসায়ন, গণিত এবং জীববিজ্ঞান। এগুলোর মধ্যে গণিত/জীববিজ্ঞান চতুর্থ বিষয় হিসাবে উত্তর করা যাবে এবং এর পাশাপাশি কেউ এ ২টি বিষয় উত্তর করতে না চাইলে সে বাংলা /ইংরেজি থেকে উত্তর করতে পারবে। 

পদার্থ:

  • বই এর সব একক,মাত্রা,ব্যস্তানুপাতিক,সমানুপাতিক সূত্র মুখস্থ রাখতে হবে। 
  • প্রতিটি অধ্যায়ের মেইন সূত্র গুলো ব্যাখ্যাসহ মুখস্থ করে রাখতে হবে। 
  • তপন ও আমীর স্যার এর বই এর ম্যাথ  গুলো সব করার চেষ্টা করতে হবে। 
  • শাবিপ্রবি ব্যতীত খুবি,জবি ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে। শাবিপ্রবির প্রশ্ন সমাধান করতে পারলে ভালো, না পারলে চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই। 
রসায়ন:

  • হাজারী ও নাগ এর রসায়ন বইটি বার বার পড়তে হবে।
  • গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া গুলো মনে রাখতে হবে। 
  • বই এর অনুশীলন এর প্রশ্নগুলো অবশ্যই সমাধান করতে হবে। 
  • শাবিপ্রবি ব্যতীত খুবি,জবি ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে। শাবিপ্রবির প্রশ্ন সমাধান করতে পারলে ভালো, না পারলে চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই।
উচ্চতর গণিত :

  • ম্যাটিক্স,বিন্যাস,সমাবেশ, সরলরেখা, বৃত্ত, কণিক ,সম্ভাবনা, ২য় পত্রের ত্রিকোণমিতি,বিস্তৃতি,জটিল সংখ্যা এগুলো খুব ভালো করে করতে হবে।কোনভাবেই এ অধ্যায়গুলোর প্রশ্ন বাদ পড়া যাবে না
  • ক্যালকুলাসের অন্তরীকরণ এ বেশি মনোযোগ দিতে হবে। যোগজীকরণ এ পূর্বের বছরের ম্যাথ ভালোভাবে করতে হবে তাহলে হুবহু কমন পাওয়া যাবে।স্থিতিবিদ্যা না পারলে স্কিপ করতে হবে।
  • শাবিপ্রবি ব্যতীত খুবি,জবি ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে। শাবিপ্রবির প্রশ্ন সমাধান করতে পারলে ভালো, না পারলে চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই।
জীববিজ্ঞান :

  • যারা জীববিজ্ঞানের প্রস্তুতি নিয়েছে,তারা বিগত বছরগুলোতে যে প্রশ্ন পড়লেই পারবে।এগুলো পড়লে ই ২৩/২২ পাবে।অনেকেই ২৫/২৫ পাবে
  • বাকিরা মেইন বই এর গুরুত্বপূর্ণ টপিক ও বিষয় পড়ে গেলেই হবে।
বাংলা :

  • মেইন বইটা পড়তে হবে খুব ভালো করে। এছাড়াও সমাস,সন্ধি,ব্যাকরণ,বাগধারা, সমার্থক শব্দ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পড়লেই হবে।
ইংরেজি:

  • right from of verb,preposition, changing sentence, voice change  ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পড়লে ভালোভাবে পারা যাবে।
  • একটা কথা মনে রাখতে হবে বিজ্ঞান বিভাগের ইংলিশ ও বাংলা প্রশ্ন বেশি কঠিন আসে না।


 4.  ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস।গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩।

এ বছর গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ মোট ২২ টি সােধারণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে। 

তবে ২০২১ ভর্তি পরীক্ষার হিসাব অনুযায়ী ২৩ হাজার ১০৩ টি আসনের জন্য ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে নতুন ২টি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হওয়ায় আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
১.ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। 
মোট আসন সংখ্যা ২৩০৫ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৫৫০,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১৪৭১টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৪৫০ টি।
২.শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট 
এর মোট আসন সংখ্যা ১৭০৩ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২১০,মানবিক বিভাগের জন্য ৩১০এবং ব্যবসায় বিভাগের জন্য ৮৩ টি।

৩.হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,দিনাজপুর। 
মোট আসন সংখ্যা ২০০৫ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১৩৬০ টি,মানবিক ৩৬৫ এবং ব্যবসায় বিভাগের জন্য ২৮০।

৪.মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,টাঙ্গাইল। 
মোট আসন সংখ্যা ৮১৫।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৭৩৩,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২৮ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৫৪।

৫.  নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
মোট আসন সংখ্যা ১২৮৫ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৯৭০ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১৮৬ টি এবং ব্যবসায় বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১২৯

৬.জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
মোট আসন সংখ্যা ২৭৬৫ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১২৪৫ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৮৫০ টি,ব্যয়সায় বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৫২০ টি এছাড়াও চারুকলা অনুষদের জন্য ১৫০ টি আসন (সকলের জন্য)।

৭. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
মোট আসন সংখ্যা ২৭৬৫।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৫১৫ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২৭৩ টি এবং ব্যবসায়  শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২৫২ টি।

৮.জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
মোট আসন সংখ্যা ১০৬০ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২৭২ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৫৪০ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২৪৮ টি।

৯.যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
মোট আসন সংখ্যা ৯১০ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৬৮৫ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১০০ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১৪০ টি।

১০.বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রংপুর 
মোট আসন সংখ্যা ১৩১৫ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৬৯২ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩৯৮ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ২৮১ টি।

১১.পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
 মোট আসন সংখ্যা ৯২০ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৬৫০ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১৪৫ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১২৫ টি। 

-১২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর ডিজিটাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মোট আসন সংখ্যা ১০০ টি।সকল আসন বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ। এটি নতুনভাবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে যুক্ত হয়েছে শেখ মুজিবুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

  ১৩.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মোট আসন সংখ্যা ২৭৪০ টি।তবে এবার ১৬০০ আসন সংখ্যা বরাদ্দ করা হয়েছে। আগের হিসাব অনুযায়ী  বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ১৪৬০ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩৮৫ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩১০ টি। সম্মিলিত আসন সংখ্যা ৫৯০ টি।

-১৪.বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
 মোট আসন সংখ্যা ১৪৪০ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৬৪৯ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৪৬৩ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩০২ টি।

-১৫.রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
 আসন সংখ্যা ১৫০ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৭৫ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৭৫ টি।মানবিক বিভাগের জন্য আলাদা করে বরাদ্দ আসন এই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়নি।

- ১৬.শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় মোট  আসন সংখ্যা ৯০ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩০ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩০ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩০ টি।

-  ১৭.বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  সংখ্যা ১৫০ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ এর জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৯০ টি,মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৩০ টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন ৩০ টি।

১৮.পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ৭৩০ টি।তবে এখনও পর্যন্ত বিভাগ  ভিত্তিক আসন বিন্যাস জানা যায়নি।

  ১৯.খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়- মোট আসন সংখ্যা ১২১৭ টি।তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৬৪৫, মানবিক বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৪৩৫ এবং ব্যবসায় বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা ৯১ টি।

নতুন ৩ টি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আসন সংখ্যা জানা যায়নি। তবে সব মিলিয়ে আসন সংখ্যা সাড়ে ২৩ হাজারের কাছাকাছি। 



5.গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের প্রক্রিয়া।গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩।

2021-22 শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এজন্য ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।তবে বেশিরভাগ মানুষ অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এর লিঙ্কখুজে পাচ্ছে না। কারণ সম্পূর্ণ নতুন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। আপনি যদি গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের অফিশিয়াল লিঙ্ক সম্পর্কে জানতে চান আমাদের ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন। 
২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে। এরমধ্যে দশটি সাধারণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বারোটি  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ভর্তি কার্যক্রম দুটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে।
 

  • প্রাথমিক নির্বাচন প্রক্রিয়া

নির্দিষ্ট সময় এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের জন্য একটি সময় নির্ধারণ করা হয়।সেই সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে।

এই প্রাথমিক নির্বাচনে এস.এস.সি. ও এইচ.এস.সি. বা সমমান এর জিপিএ এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।তবে  এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক নির্বাচন এর আবেদন এর জন্য কোনো আবেদন ফি লাগবে না

যে ভাবে আবেদন করবেন অনলাইনে প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ :

  • প্রথমে আপনাকে ক্রোম ব্রাউজারের মাধ্যমে জিএসটি (GST) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। 
  • এরপর Apply now অফশনে ক্লিক করুন। 
  • এরপর আপনার এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি. এর এক্সাম রোল প্রবেশ করান।
  • সর্বশেষ আপনার অথবা আাপনার অভিভাবকের মোবাইল নম্বরটি (১১ ডিজিটের) লিখুন।
  • এরপর আপনার প্রদানকৃত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) আাসবে।OTP টি সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট ওপশনে ক্লিক করলে আপনার প্রাথমিক আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।


  • চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া

প্রাথমিক নির্বাচন সম্পন্ন হলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত পর্যায়ে আবেদন করতে পারবে। এ সময় আবেদন ফি ৫০০ টাকা  মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে (বিকাশ/রকেট) প্রদান করতে হবে। প্রাথমিক নির্বাচনের পরে লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।একটিমাত্র কেন্দ্র  নির্বাচন করতে হবে এরপর নির্দিষ্ট কেন্দ্রে চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এভাবেই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ সারাদেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। 

আরও পড়ুনঃ মুড সুইং কি?

6.গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার যাচাই পদ্ধতি। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩। 

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিটি বিভাগ এর জন্য এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি. পরীক্ষার জিপিএ  এর ওপর ভিত্তি করে  প্রাথমিক বাছাই পর্বের সিলেকশন করা হয়। 

প্রাথমিক বাছাই পর্বে এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি. পরীক্ষার জিপিএ যথাক্রমে ৪০% এবং ৬০% বিবেচ্যে এনে,সিলেকশন করা হয়। প্রাথমিক বাছাই পর্বের নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে এস.এম.এস (SMS) এর মাধ্যমে অবহিত করা হয়।  

চূড়ান্ত নির্বাচনের জন্য মোট ১৫০০০০ শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।বিশ্ববিদ্যালয় নিজ নিজ শর্তাবলীর মাধ্যমে শিক্ষার্থী আসন ও বিভাগ সাপেক্ষে  ভর্তি করবেন।

তবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ অনুসারে এখনও পর্যন্ত এবারের যাচাই পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যায়নি। 

কেন্দ্র :

মূলত ১৯ টি কেন্দ্রে এবছর গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। যদিও 22 টি বিশ্ববিদ্যালয় সম্বনিতভাবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে।১৯টি কেন্দ্রের নাম হলো:

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। 
  • বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,জামালপুর। 
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।
  • বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর। 
  • যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
  • শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,সিলেট। 
  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।
  • হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,দিনাজপুর। 
  • মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে,টাঙ্গাইল। 
  • ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া। 
  • জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়,ময়মনসিংহ। 
  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,সিরাজগঞ্জ। 
  • পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  • রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  • নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  • পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর ডিজিটাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
এছাড়াও শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় সহ নতুন আরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্র পড়ে নি।এসকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে স্কুল ও কলেজের কেন্দ্র নির্বাচন করা হবে। 

চূড়ান্ত নির্বাচনের পর পরীক্ষার ফলাফল  জিএসটি এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল পরীক্ষার রোল নম্বর, পরীক্ষায় প্রাপ্ত বিষয়ের নম্বর সহ প্রকাশ করা হবে।

7.আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর।গুচ্ছ ভর্তি  পরীক্ষা ২০২৩।

১.প্রশ্ন:গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা কত?
উত্তর : আসন সংখ্যা প্রায় সাড়ে ২৩ হাজারের কাছাকাছি। 
২.প্রশ্ন:গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে?
উত্তর :শুধুমাত্র নৈবিত্তিক।
৩.প্রশ্ন:গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কয়টি কেন্দ্র পছন্দ করা যাবে?
উত্তর :১টি।
৪.প্রশ্ন: ভর্তি পরীক্ষায় কি বিভাগ পরিবর্তন এর সুযোগ আছে?
উত্তর :হ্যাঁ, আছে।
৫.প্রশ্ন:মোট কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করবে?
উত্তর :২২টি।

8.লেখকের মন্তব্য। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩

এই আর্টিকেলটি মূলত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ সম্পর্কিত একটি আর্টিকেল।এখানে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ সম্পর্কিত বিস্তারিত  আলোচনা করা হয়েছে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার,আওতাধীন বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ,কেন্দ্র, ফলাফল, মানবন্টন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩ সম্পর্কিত হালনাগাদ তথ্য ও বার্তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আর্টিকেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পরিচালিত ওয়েবসাইট DU Speech -এ চোখ রাখুন। 

 

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?