The DU Speech https://www.duspeech.com/2022/09/australiya-kajer-visa.html

অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান । প্রযুক্তির ছোয়াই এখন আর অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ সম্পর্কে জানতে দালালের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না, ঘরে বসেই অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ সম্পর্কে জানতে পারবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্টিকেল রাইটিং সংগঠনের এই আর্টিকেলে অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জনাবো, তাই সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।  

সূচীপত্র (যে অংশ পড়তে চান তার উপর ক্লিক করুন)

  1. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর আবেদনের ফুল প্রসেস
  2. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ প্রকারভেদ 
  3. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ পেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। 
  4. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা পেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা
  5.  অস্ট্রেলিয়া ভিসা খরচ  
  6. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসায় বেতন কত?
  7. আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর
  8. লেখকের মন্তব্য 

 ১. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর আবেদন প্রক্রিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সম্পূর্ণ প্রসেস এখানে আপনি পাবেন। সব কিছু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, ইনশাল্লাহ। এই আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাহলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বুঝে যাবেন। এটা কোন গল্প না যে আপনি শুধু সার কথাটুকু জেনে নিবেন আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ না পড়লে আপনি কিছুই বুঝতে পারবেন না তাই মনোযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ পড়ুন। প্রথমেই আলোচনা করব, ভিসা ক্যাটাগরি নিয়ে।

অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার ভিসা ক্যাটাগরি  | অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

অস্ট্রেলিয়ায় ০৩টি ক্যাটাগরিতে ভিসা প্রদান করা হচ্ছে।
  1. প্রবাসী
  2. শিক্ষিত শ্রেণি
  3. স্টুডেন্ট ভিসা 
প্রবাসী: যারা বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন এবং ভালো ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন তারা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষিত শ্রেণী: যাদের পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে অর্থাৎ অন্তত সম্মান পাস এবং ভালো ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন তারা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।
স্টুডেন্ট: যারা বর্তমানে পড়াশুনা করার উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া যেতে চান তারা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ায় কাজের জন্য সরকারি ওয়েবসাইট
ওয়েবসাইট লিংক : https://immi.homeaffairs.gov.au/visas/working-in-australia

উপরের যে লিংক দেওয়া হয়েছে সেটি অস্ট্রেলিয়ায় কাজের জন্য অস্ট্রেলিয়ান সরকারি ওয়েবসাইট। আপনি এই ওয়েবসাইটে গেলে বিভিন্ন ধরনের কাজের বিস্তারিত জানতে পারবেন।


এখান থেকে সাধারণত টেম্পোরারি ওয়ার্ক ভিসা ক্যাটাগরিতে আপনি অস্ট্রেলিয়াতে যেতে পারবেন। তবে অস্ট্রেলিয়াতে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে জব খুঁজে নিতে হবে। এবার আমরা জানাবো কিভাবে আপনি অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য জব খুঁজে বের করবেন।

জব খোঁজার উপায় | অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

জব খোঁজার ওয়েবসাইটের লিংক: https://www.seek.com.au/
আপনি এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার প্রয়োজন এবং পছন্দমত জব অনুসন্ধান বা খোঁজ করবেন। 



এখানে প্রথম যে অপশন দেখতে পাচ্ছেন এখানে গিয়ে আপনি জব বা কোম্পানির নাম লিখে সার্চ করতে পারেন। দ্বিতীয় অপশনে বিভিন্ন ধরনের বিবরণ দেওয়া আছে এখান থেকে আপনি আপনার পছন্দমত জব সিলেক্ট করবেন। নিজের ছবিতে আমি দেখিয়ে দিচ্ছি যে কেমন ক্যাটাগরির জব সাজেশন এখানে রয়েছে।



এভাবে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির বা ক্যাটাগরির সব অনুসন্ধান করে নিবেন। জব খোঁজার পর আপনাকে একটা সিভি তৈরি করতে হবে। এবং আপনার সিভিটি যে কোম্পানিতে জব খুঁজেছেন সে কোম্পানির মেইল এড্রেসে ইমেইল করে পাঠিয়ে দিতে হবে। এরপর তারা আপনাকে মনোনীত করলে ফিরতি এসএমএসে বা মেইলে জানিয়ে দিবে যে আপনি জবের জন্য মনোনীত তখন ভিসা করে খুব সহজেই অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবেন। 

অস্ট্রেলিয়া জবের আবেদনের জন্য সিভি ফরম্যাট | অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

 কিভাবে আপনি করবেন তা নিচের ছবিতে দেওয়া হয়েছে। এখানে আপনি আপনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। তবে কোন মিথ্যা তথ্য এখানে প্রদান করবেন না। 


ঠিক এভাবে আপনি আপনার অভিজ্ঞতার আলোকে একটা সিভি তৈরি করবেন। যে কাজের জন্য সিভি তৈরি করছেন প্রাসঙ্গিকভাবে সে সকল কাজের অভিজ্ঞতা এখানে উল্লেখ করবেন। এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে আবেদন করবেন বা কোথায় আবেদন করবেন।
কিভাবে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আবেদন করবেন
আপনি যে লিংক থেকে জব খুঁজেছেন। ওই জবের কোম্পানির ঠিকানা থেকে ইমেইল নম্বর বা ঠিকানাটি সংগ্রহ করবেন। এবং উক্ত ইমেল অ্যাড্রেস এ নিচের মতো করে কভার লেটার লিখবেন এবং ওপরে যেভাবে সিভি ফরমেট তৈরি করার কথা বলা হয়েছে তার পিডিএফ সংযুক্ত করে বেশ কয়েকটি কোম্পানিতে ইমেইল সাবমিট করার মাধ্যমে আবেদন সম্পূর্ণ করবেন। আপনি যতগুলো কোম্পানিতে ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন করবেন আপনার অভিজ্ঞতা তত বাড়তে থাকবে।



এখানে সিভি ফর্মেটে বিভিন্ন কালার ব্যবহার করা হয়েছে আপনার বোঝার সুবিধার জন্য। আপনি যখন কভার লেটার লিখবেন তখন কোন ধরনের কালার ব্যবহার করবেন না। এভাবে খুব সহজেই আপনি অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। এবার আপনাদের জানাবো অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার ভিসায় কত টাকা খরচ হতে পারে।

ভিসা খরচ | অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

এখানে তিনটি ক্যাটাগরিতে আপনাকে ভিসার জন্য খরচ করতে হবে।
  1. sponsored cost - AUD 2770
  2. Visa Cost - AUD 325
  3. police clearance + medical + others
এখানে স্পন্সর খরচ হবে অস্ট্রেলিয়ান ২৭৭০ ডলার। এবং ভিসার জন্য খরচ করতে হবে অস্ট্রেলিয়ান ৩২৫ ডলার। এর সাথে থাকবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স মেডিকেল এবং অন্যান্য খরচ। সব মিলিয়ে ধরা যায় দুই থেকে তিন লক্ষ টাকার মধ্যেই আপনি সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

তথ্য সূত্র : https://youtu.be/HgkzGn1tQoM

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় বেশ কর্মী সংকট দেখা দিয়েছে, এমতাবস্থায় অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ থেকে কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে যে সকল কর্মীরা শ্রমিক এবং কৃষি কাজ করার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় যেতে আগ্রহী তারা আবেদন করতে পারবেন। 
কাজের ভিসা এর মাধ্যমে যারা অস্ট্রেলিয়ার যেতে আগ্রহী সাধারণত তারা উচ্চপর্যায়ের কোনো জব বা চাকরি করতে পারেন না তাদেরকে নিম্নমানের কাজ অর্থাৎ যে সকল কাজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ নাগরিক আগ্রহী নয় এবং ফলাফলে ওই সমস্ত নিম্নমানের কাজের জন্য অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ থেকে তারা কর্মী নিয়োগ প্রদান করছে।
আশা করছি , অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ কি তা নিয়ে আপনাদের পরিষ্কার ধারণা হয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলো জানতে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে দেখুন।

২. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ প্রকারভেদ

অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে যেহেতু নিম্নমানের অনেক কাজের জন্য শ্রমিক বা কৃষি কাজের জন্য শ্রমিক নিয়োগ প্রদান করে তাই সে সকল কাজের বেশ প্রকারভেদ রয়েছে। পাশাপাশি যারা শিক্ষিত এবং দক্ষ তাদের জন্যও কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় কাজের বেশ সুযোগ রয়েছে। সাধারণত অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ কে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়।
  1. দক্ষ অভিবাসী ভিসা- এই ভিসার মাধ্যমে যারা শিক্ষিত বা দক্ষ পেশাদার শ্রেণী রয়েছেন তাদেরকে বিভিন্ন কাজের সুযোগ প্রদান করে থাকে অস্ট্রেলিয়ান সরকার। দক্ষ অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যারা অস্ট্রেলিয়ার বসবাসের সুযোগ বা কর্মক্ষেত্রের সুযোগ পান তাদের সুযোগ সুবিধা এবং বেতন তুলনামূলকভাবে অনেক স্মার্ট।
  2. স্পন্সরড ওয়ার্ক ভিসা-  অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর যে প্রকারভেদ গুলো রয়েছে তার মধ্যে এটা দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে। এই ভিসার মাধ্যমে সাধারণত একজন শ্রমিক বা চাকুরী প্রার্থীকে অস্ট্রেলিয়া কোন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে স্পন্সর বা চাকুরীর নিয়োগ পত্র পেতে হয়। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ার কোন কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে আপনি চাকরির জন্য মনোনীত হয়ে থাকলে আপনি এই ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় কাজের সুযোগ পাবেন বা ভিসার সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুনঃ মুড সুইং কেন হয়?

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র । অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

প্রায় সকল দেশের ভিসা করতে গেলেই আপনাকে কিছু কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে আপনার স্বপক্ষে প্রমাণ দেখানোর জন্য। ঠিক একইভাবে অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে আপনি অস্ট্রেলিয়া যেতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। 
  1. আই এল টি এস সার্টিফিকেট- সাধারণত যে সকল দেশে আপনি কাজের জন্য হোক বা পড়ালেখা করার জন্য অথবা বসবাস করার জন্য যেতে চান সে সকল দেশের ভাষা সম্পর্কে আপনার দক্ষতা অর্জন করা খুবই জরুরী। ফলাফলে আপনাকে ওই দেশের ভাষা শেখার জন্য আইএলটিএস কোর্স কমপ্লিট করতে হয় এবং এখানে ভাল একটি স্কোর আপনি করতে পারলে বিদেশ যাওয়া আপনার জন্য খুবই সহজ হয়ে যাবে সেটা যে কোন দেশেই হোক না কেন। তাই অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে আপনি যদি অস্ট্রেলিয়া যেতে চান আপনাকে অবশ্যই খুব ভালোভাবে আইএলটিএস সম্পূর্ণ করতে হবে।
  2. পেশার অভিজ্ঞতার প্রমাণ পত্র- আপনি যে পেশার জন্য অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে চাচ্ছেন সেই পেশার স্বপক্ষে আপনার প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে যেন কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে আপনি ওই কাজটিতে দক্ষ।
  3. অস্ট্রেলিয়া থেকে কাজের প্রস্তাব - আপনি ইউরোপ বা অস্ট্রেলিয়া বা হোক আমেরিকার কোন দেশ যেখানেই যেতে চান না কেন আপনার অবশ্যই প্রয়োজন পড়বে উত্তর দেশ থেকে কাজের প্রস্তাব তাছাড়া আপনি অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবেন না।
  4. অস্ট্রেলিয়া চাকরির প্রমাণপত্র- আপনি অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি পেয়েছেন তার স্বপক্ষে প্রমাণপত্র বা কাগজপত্রের প্রয়োজন পড়বে। তাছাড়া আপনি অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে ব্যর্থ হবেন।
  5. একাডেমিক  শিক্ষাগত যোগ্যতা- আপনার সমস্ত অ্যাকাডেমিক শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিক্ষাজীবনের সার্টিফিকেটের সকল সংগ্রহ কাছে রাখতে হবে।
  6. অপরাধ মূলক রেকর্ড- আপনি যদি এর পূর্বে যে কোন ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বা জড়িত হয়ে পড়েছিলেন যদি এরকমটি আপনার সাথে হয়ে থাকে অবশ্যই সে সকল অপরাধের কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। তবে এটা না করাই উচিত কেননা তারা যদি বুঝতে পারে যে আপনি এর পূর্বে কোন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের জড়িত ছিলেন তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতার সৃষ্টি হবে।

৪. শিক্ষাগত যোগ্যতা । অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে আপনি যদি অস্ট্রেলিয়া যেতে চান অবশ্যই আপনাকে বেশ কিছু পর্যায়ে অতিক্রম করতে হবে তার অন্যতম হলো শিক্ষাগত যোগ্যতা। এই ভিসার মাধ্যমে সাধারণত আপনার একাডেমিক শিক্ষার তেমন মূল্যায়ন এখানে হয় না, তারা এখানে বিশেষ করে প্রত্যক্ষ করে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা কেমন এবং আপনি ইংরেজি ভাষায় ঠিক কতটুকু দক্ষ। ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ তারা আপনার আইএলটিএস ভালোভাবে প্রত্যক্ষ করবে। আপনার আইএলটিএস স্কোর যদি ৮ এর বেশি হয় সেক্ষেত্রে আপনার জন্য বেশ সুবিধা হবে অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর জন্য মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে।

৫. ভিসা খরচ । অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

আপনি যে দেশেই যেতে চান না কেন সে দেশের ভিসা ফরজ সম্পর্কে জানাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন যে ঠিক কত টাকা আপনার সংগৃহে থাকলে আপনি অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবেন? সুতরাং ভিসা খরচ সম্পর্কে সঠিক একটা ধারণা জানা প্রতিটি বিদেশ যেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তবে অনেকেই অস্ট্রেলিয়ার ভিসার খরচ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না সরকারিভাবে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আবেদন ২০২৩ নামক আর্টিকেলের এই অংশ টি তে আপনাদের ভিসার খরচ সম্পর্কে জানানো হবে।

আপনাদের মধ্যে যারা অস্ট্রেলিয়ায় যেতে চাচ্ছেন আপনারা যদি অস্ট্রেলিয়াতে যাওয়ার জন্য টেম্পোরারি ভিসার আবেদন করতে চান অর্থাৎ আপনারা যদি অস্থায়ী মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াতে যেতে চান তবে আপনাদের বাংলাদেশে ঢাকায় ৫ লক্ষ টাকা থেকে কিছু বেশি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। আর এই টাকার হিসাব শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির জন্যে প্রযোজ্য। অর্থাৎ শুধুমাত্র আপনি একা ৫ লক্ষ বা এর কিছু বেশি টাকা দিয়ে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবেন।

৬. বেতন কত ? অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩

অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পূর্বে অনেকেই জানতে আগ্রহী যে তাদের কেমন বেতন দেওয়া হতে পারে। বেতন সাধারণত নির্ভর করে আপনি কেমন কাজ করছেন তার ওপর। অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে যারা বাংলাদেশ থেকে বা ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যান সাধারণত তারা কেমন ইনকাম করেন তার একটা ধারণা এখন আপনারা জানতে পারবেন।
অস্ট্রেলিয়ায় সাধারণত কর্ম ঘন্টা হিসেব করে বেতন প্রদান করা হয়ে থাকে। আপনি যত বেশি কাজ করবেন তত বেশি আয় করতে পারবেন সেটা বুঝতেই পারছেন।অস্ট্রেলিয়ায় আপনারা যদি সপ্তাহ ২০ ঘন্টা কাজ করে থাকেন তাহলে আপনারা এক সপ্তাহে প্রায় ২৪০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনারা বাংলাদেশি টাকার ৯০ থেকে ১ লক্ষ টাকা মাসে আয় করতে পারবেন।

৭. আর্টিকেল সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর 

১. প্রশ্ন. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে বর্তমানে যাওয়া সম্ভব কিনা?
উত্তর: এখনো নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়নি তবে খুব দ্রুতই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে তাই আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখুন।
২. অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পর বেতন কেমন আসতে পারে?
উত্তর: ৯০০০০ থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
৩. ভিসা খরচ কেমন হবে?
উত্তর: সাধারণত চার লক্ষ থেকে ৬ লক্ষ টাকার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবেন।

৮. লেখকের মন্তব্য

অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি তবে আশা করছি বা ধারণা করা হচ্ছে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৩ এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। তাই নিয়মিত চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে। 
শুধু অস্ট্রেলিয়া যাওয়া নয় পাশাপাশি ইউরোপের যেকোনো দেশের আপনি যেতে চাইলে আপনাকে আই এল টি এস এ ভালো স্কোর রাখতে হবে। তাই হাতে যতটুকু সময় পান একটা আই এল টি এস কোর্স সম্পূর্ণ করে ফেলুন অবশ্যই ভালো স্কোর রাখার চেষ্টা করবেন আপনার স্কোর যদি ৮ এর বেশি হয় তাহলে সবচেয়ে ভালো হয়।

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?