মেট্রোরেলে ‘মু-ত্রো’ সার্ভিস চালু! স্টেশনে গরুর হাট বসিয়ে বিশ্বজুড়ে হাসির খোরাক উগান্ডার ক্ষমতাসীন দল
নিজস্ব গো প্রতিনিধি:
উগান্ডায় উন্নয়নের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল। বহু প্রতীক্ষিত মেট্রোরেল স্টেশনকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিতে সেখানে বসিয়ে দিয়েছে বিশাল গরুর হাট। ফলে যাত্রীরা এখন ট্রেনের টিকিটের পাশাপাশি দরদাম করে কিনতে পারবেন ষাঁড়, গাভী ও বাছুর!
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল হাসাহাসি। অনেকেই বলছেন, “মেট্রোরেল স্টেশনকে হাট বানানো নয়, হাটকে মেট্রোরেল স্টেশন বানানো হয়েছে।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা গরুগুলো এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিল যে কয়েকটি গরু নাকি নিজেকে পরবর্তী স্টেশন মাস্টার হিসেবেও দাবি করেছে। এক গরুকে প্ল্যাটফর্মের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে দেখা যায়। পরে জানা যায়, সে রাজধানীগামী ট্রেন মিস করেনি, বরং কোরবানির মৌসুম মিস করার আশঙ্কায় চিন্তিত ছিল।
এদিকে ক্ষমতাসীন দলের এক নেতা দাবি করেছেন, “এটি কোনো গরুর হাট নয়, এটি জনগণ ও গবাদিপশুর মধ্যে গণতান্ত্রিক সংলাপের একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম।”
তবে বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, “দেশে এত উন্নয়ন হয়েছে যে এখন গরুরাও গণপরিবহন ব্যবহার করতে চায়।”
পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ঘটনার পর মেট্রোরেলের নতুন নাম হতে পারে ‘মু-ট্রোরেল’। স্টেশনের ঘোষণাও নাকি পরিবর্তনের চিন্তা চলছে—
“পরবর্তী স্টেশন: খামারপাড়া।
দরজা খুললে আগে গরু নামতে দিন, তারপর যাত্রীরা।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক পোস্টে লেখা হয়েছে, “আগে শুনতাম রেলস্টেশনে মানুষ গাদাগাদি করে। এখন দেখছি গরুরাও সিট পাওয়ার আশায় লাইনে দাঁড়িয়েছে!”
অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, “উন্নয়নের এমন গতি আগে দেখিনি। মেট্রোরেল যেখানে যাওয়ার কথা ছিল শহরে, সেখানে শহরই চলে এসেছে গরুর হাটে।”
সবশেষে স্থানীয় প্রশাসন জানায়, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে স্টেশনের প্রবেশপথে বিশেষ সাইনবোর্ড টাঙানো হবে—
‘যাত্রী ব্যতীত অন্য কোনো গরু, মহিষ বা রাজনৈতিক কর্মীর প্রবেশ নিষেধ।’
ঘটনার পর থেকে স্টেশন এলাকায় ট্রেনের হুইসেলের চেয়ে “হাম্বা” শব্দই বেশি শোনা যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে আমাদের মাঠপর্যায়ের গো-সংবাদদাতারা।

The DU Speech-এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url