গবেষণাপত্রে হিরো আলম! — ‘ক্রিঞ্জ’ থেকে ক্যারিয়ার, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসে ঢোকার অপেক্ষা!”
বাংলাদেশে যেখানে অধিকাংশ মানুষ এখনো নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের থিসিসের বিষয় খুঁজে পান না, সেখানে গবেষকদের চোখ পড়েছে একেবারে জাতীয় সম্পদে পরিণত হওয়া হিরো আলমের ওপর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বছরের পর বছর ট্রোল, মিম আর হাসাহাসির প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এই ব্যক্তিকে নিয়ে এবার আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণার বিষয়বস্তু শুনেই অনেকের প্রশ্ন, “তাহলে এতদিন আমরা যে মিম শেয়ার করেছি, সেগুলো কি গবেষণার ডাটা ছিল?” গবেষকরা বলছেন, হিরো আলমকে ঘিরে মানুষের প্রতিক্রিয়া আসলে সমাজ, শ্রেণি ও সংস্কৃতির নানা দিক বুঝতে সাহায্য করে। আর সাধারণ জনগণ বলছে, “আমরা তো শুধু হাসছিলাম, ওনারা দেখি পিএইচডি করে ফেললেন!”
এদিকে দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, “যদি হিরো আলম নিয়ে Scopus Q1 জার্নালে গবেষণা হতে পারে, তাহলে আমার ফেসবুকে ‘গুড মর্নিং’ পোস্ট নিয়ে অন্তত এমফিল হওয়া উচিত।”
বিশ্ববিদ্যালয়পাড়ায় গুঞ্জন উঠেছে, ভবিষ্যতে হয়তো নতুন কোর্স চালু হবে— ‘Introduction to Hero Alom Studies’, যেখানে মিডটার্ম পরীক্ষায় প্রশ্ন আসবে: “হিরো আলমের একটি গান শুনে সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ কর।”
অন্যদিকে হিরো আলম ভক্তদের দাবি, “এতদিন মানুষ বলত উনি পড়াশোনা জানেন না। এখন উনাকে নিয়েই পড়াশোনা হচ্ছে!”
সব মিলিয়ে, যে মানুষটিকে নিয়ে দেশের মানুষ বছরের পর বছর হেসেছে, তাকেই নিয়ে এখন গবেষকরা সিরিয়াস। ফলে জাতি নতুন এক বাস্তবতা মেনে নিতে বাধ্য— বাংলাদেশে কিছু মানুষ ইতিহাস সৃষ্টি করে, আর কিছু মানুষ গবেষণার বিষয় হয়ে যায়। হিরো আলম দুইটাই করে ফেলেছেন!


The DU Speech-এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url