“মুহাল্লিল” নিয়োগে সিভির বন্যা! ভাইরাল তালিকায় ঢাবি শিক্ষার্থীর নাম ঘিরে তোলপাড়
স্টাফ রিপোর্টার:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “হালালা সেন্টার বাংলাদেশ” নামে পরিচিত একটি বিতর্কিত প্ল্যাটফর্মকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সংগঠনটির কথিত চেয়ারম্যান আলেমা সানজিদা আক্তার দাবি করেছেন, “মুহাল্লিল” হওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো যুবক তার কাছে সিভি পাঠিয়েছেন।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, বাংলাদেশের বহু নারী অভিযোগ করেছেন যে, তাদের স্বামীরা গোপনে হিল্লা বিয়ে করেছেন এবং বিষয়টি স্ত্রীদের জানানো হয়নি। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে “স্বচ্ছতা নিশ্চিতের স্বার্থে” আগ্রহী যুবকদের পাঠানো সিভিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে ভাইরাল হওয়া সেই তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতা নাসির উদ্দিনের নাম উঠে আসায় শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। সানজিদা আক্তারের একটি পোস্টে নাসির উদ্দিনের কথিত আইডি থেকে পাঠানো মেসেজের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নাসির উদ্দিন নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া আইডিটি ভুয়া। তিনি বলেন, “আগে ওই আইডিটি একজন ছেলের নামে পরিচালিত হতো। পরে তাকে সরাসরি যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। তাই পরিচয় গোপন রেখে এবং আগ্রহী সেজে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল।”
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ এটিকে “ডিজিটাল যুগের অদ্ভুত নিয়োগ প্রক্রিয়া” বলে মন্তব্য করছেন, আবার কেউ পুরো বিষয়টিকে মনোযোগ কাড়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ধর্মীয় সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে এমন ভাইরাল কনটেন্ট সামাজিক বিভ্রান্তি ও ব্যক্তিগত মানহানির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। একইসঙ্গে যাচাইবিহীন স্ক্রিনশট ও পরিচয় প্রকাশের বিষয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

The DU Speech-এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url