পলাশী মোড়ে খাজনা আদায়ের প্রতিবাদে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে!

ভুক্তভোগী ঢাবি শিক্ষার্থী মুজাহিদ


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী মুজাহিদুল ইসলাম পলাশী মোড়ে অবৈধভাবে খাজনা আদায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় বিএনপির কর্মীদের দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে মুজাহিদুল ইসলাম লেখেন, “পলাশী মোড়ে অবৈধভাবে খাজনা উঠানোর প্রতিবাদ করায় আমাকে মারধর করছে বিএনপির চাঁদাবাজরা। আমার ফোন নিয়ে ওদের সব ছবি আর ভিডিও ডিলিট করে দিছে।”

তার অভিযোগ, খাজনা আদায়ের ঘটনাটি ধারণ করার সময় অভিযুক্তরা তার ওপর হামলা চালায় এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে সেখানে থাকা ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলে। তবে এ ঘটনায় তিনি থানায় কোনো অভিযোগ করেছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে যুক্ত করা হবে।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে। ফেসবুকের মন্তব্য ঘরে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

একজন মন্তব্যকারী লেখেন, “লীগের তো অন্তত হাসিনা নামের একজন অভিভাবক ছিল। বিএনপির অভিভাবকও নাই, সব চাঁদাবাজ।” আরেকজন লেখেন, “দুই সাপের এক বিষ! কুলাঙ্গাররা মানুষ হবে না কখনো।”

কেউ কেউ ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চেয়ে “আপডেট কী?” বলে মন্তব্য করেন। আবার একজন মন্তব্যকারী লেখেন, “এই শুয়োরছাত্ররা তো ভবিষ্যতে দেশকে নিয়েই ডুববে।”

আরেকজন মন্তব্যে উল্লেখ করেন, “নৌকা আর ধানের শীষ, দুই সাপের একই বিষ!” অন্যদিকে একজন লেখেন, “বিএনপির শাগল আমল দেখার সুযোগ পাওয়ায় ভালো হয়েছে, নাহলে ভাবতাম এরা খুব ইনসাফ করবে। ঢাকসুর উচিত ব্যবস্থা নেওয়া এখনই।”

তবে কিছু ব্যবহারকারী শুধু বিস্ময় প্রকাশ করে “???” মন্তব্যও করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা এসব মন্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত; এগুলোর দায়ভার সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীদের। ঘটনার বিষয়ে প্রশাসন ও অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী আপডেটে যুক্ত করা হবে।

ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

The DU Speech-এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন, প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url