The DU Speech https://www.duspeech.com/2022/08/cadet-college-admission-syllbu.html

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ও pdf সিলেবাস ২০২৩

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান। ক্যাডেট কলেজের পড়াশোনার মান অত্যন্ত উন্নত হওয়াই ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস জেনে সহজে প্রাস্তুতি নিতে চায় সবাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিচালিত এই ওয়েবসাইটে আজকে আমরা আপনাদের সাথে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ নিয়ে এবং ক্যাডেট কলেজের ভর্তি বিস্তারিত আলোচনা করব। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ সম্পর্কে বিস্তারিত সঠিক তথ্য জানতে আমাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন।



অনুচ্ছেদ সূচী (যে অংশ পড়তে চান তার উপর ক্লিক করুন)

  1. ক্যাডেট কলেজে ভর্তির যোগ্যতা 
  2. ক্যাডেট কলেজে ভর্তির আবেদনের সময় সীমা
  3. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ধাপ সমূহ
  4. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস
  5. ক্যাডেট কলেজে ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র ও জমা দেওয়ার নিয়ম
  6. ক্যাডেট কলেজে আবেদনের নিয়ম
  7. ভর্তি পরীক্ষার ফি এবং জমা দেওয়ার পদ্ধতি
  8. ভর্তি পরীক্ষার মান-বণ্টন 
  9. ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যম
  10. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি প্রস্তুতি
  11. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি 
  12. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল
  13. ক্যাডেট কলেজ কতটি ও কী কী
  14. লেখকের মন্তব্য

১. ক্যাডেট কলেজে ভর্তির যোগ্যতা | ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস জানার সাথে অবশ্যই জানা প্রয়োজন যে কি কি যোগ্যতা থাকলে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়া যায়। ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার জন্য বিশেষ কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। 

ক. জাতীয়তা

  • বাংলাদেশী
বাংলাদেশের সকল ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য ভর্তি হতে ইচ্ছুক  শিক্ষার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তির যোগ্যতার মধ্যে এটা অন্যতম।

খ. শিক্ষাগত যোগ্যতা

  • ষষ্ঠ শ্রেণি অথবা সমমানের ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য, ভর্তি পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই ষষ্ঠ শ্রেণি অথবা সমমানের ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। নতুবা উক্ত পরীক্ষার্থী ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

গ. বয়স

  • ১৩ বছর ৬ মাস।
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার পূর্বে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই ১৩ বছর ৬ মাস এর কম বয়স হতে হবে। যদি কোন ভাবে 13 বছর ছয় মাসের বেশি বয়স হয়ে যায় তাহলে উক্ত পরীক্ষার্থী ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

ঘ. শারীরিক যোগ্যতা

  • উচ্চতা। ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি (বালক / বালিকা)।
  • সুস্থতা। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে।
  • দৃষ্টিশক্তি। চশমা বিহীন চোখে- এক চক্ষুতে: ৬/১২, অন্য চক্ষুতে: ৬/১৮। চশমা সহ- এক চক্ষুতে: ৬/৬, অন্য চক্ষুতে: ৬/৬। চশমার পাওয়ার কোন ক্ষেত্রেই (-)2D এর অধিক হবে না।
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় শারীরিক যোগ্যতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কলেজ ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতায় বিবেচ্য হতে হবে। চার ফুট আট ইঞ্চি এর নিচে হলে উক্ত শিক্ষার্থী ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এটা শুধু বালক এর জন্য নয় বালিকার জন্যও একই উচ্চতা প্রযোজ্য। এখানে বালক বা বালিকার আলাদা কোন উচ্চতা বিবেচনা করা হয় না।
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে অর্থাৎ যারা মানসিক প্রতিবন্ধী বা যারা শারীরিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ তারা ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
দৃষ্টিশক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতার অনুষঙ্গ। প্রার্থীকে দুইটি ক্যাটাগরিতে বিবেচনা করা হয়। প্রথমটি চশমা ছাড়া এবং দ্বিতীয় টি হল চশমা সহ। এখানে চশমা সহ যে পরীক্ষাটা করা হয় সেখানে পাওয়ার - 2d এর অধিক হবে না। চশমা বিহীন চোখের ক্ষেত্রে এক চক্ষুতে ৬/১২ এবং অন্য চক্ষুতে ৬/১৮ পাওয়ার থাকতে হবে। চশমা সহ চোখের ক্ষেত্রে এক চক্ষুতে ৬/৬ এবং অন্য চক্ষুতে ৬/৬ থাকতে হবে। অর্থাৎ সহজেই বুঝতে পারছেন যে চশমা সহ চোখের ক্ষেত্রে একই পাওয়ার বিবেচ্য।

প্রকৃত বিজ্ঞপ্তি থেকে নিচের ছবিটি যুক্ত করা হয়েছে



২. ক্যাডেট কলেজে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা | ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩

  • ৩ ডিসেম্বর ২০২২(সকল ৮.০০) - ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ( বিকেল ৫টা পর্যন্ত) [২২ সালের বিজ্ঞপ্তি]
ক্যাডেট কলেজে ভর্তির আবেদনের সময়-সীমা জানা খুবই প্রয়োজন। ক্যাডেট কলেজের ভর্তির নতুন বিজ্ঞপ্তি এখনো প্রকাশ হয়নি। অর্থাৎ ২৩ সালের ক্যাডেট কলেজে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি এখনো প্রকাশিত হয়নি ২২ সালের ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে যে তথ্যগুলো দেওয়া আছে সেই তথ্যের আলোকে আমরা এখানে সম্ভাব্য তারিখের কথা আপনাদের জানাবো। আপনারা ৩ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ক্যাডেট কলেজে ভর্তি বা যে কোন ভর্তির জন্য এখন অনলাইনে খুব সহজেই ঘরে বসে আবেদন করা যায়।
আবেদন করার জন্য আপনারা দুইটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারবেন। নিচে উক্ত দুইটি ওয়েব সাইটের লিংক প্রদান করা আছে আপনাদের সেখানে ক্লিক করে উক্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে খুব সহজে আবেদন করতে পারবেন ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য।





৩. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ধাপ | ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩

ক্যাডেট কলেজে সাধারণ বাংলাদেশের সেরা মেধাবীরা পড়াশোনার সুযোগ পেয়ে থাকে। সচেতন পিতা-মাতার একমাত্র চয়েজ ক্যাডেট কলেজ।  সাধারণত ৭ম শ্রেণিতে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিচ্ছুরা ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকে।
বেশ কিছু ধাপে ক্যাডেট কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে। 

ক. লিখিত পরীক্ষা

  • ২৮ জানুয়ারি (শুক্রবার)
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে, লিখিত পরীক্ষা সাধারণত ২৮ জানুয়ারি বা তার আশেপাশে হয়ে থাকে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আমরা জানতে পারি যে ক্যাডেট কলেজ ভর্তির পরীক্ষার প্রথম ধাপ অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষার সাধারণত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। শুক্রবার সকাল 9 টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। উক্ত পরীক্ষায় গণিত থেকে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা , ইংরেজি থেকে ১০০ নম্বর, বাংলা থেকে ৬০ নম্বর ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হয়ে থাকে। 

খ. মৌখিক পরীক্ষা / ভাইভা 

উপরের যে দুইটি ওয়েবসাইট দেওয়া আছে সেখান থেকে আপনি মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় দেখে নিতে পারবেন। অনেকেই ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এই মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভার জন্য খুবই বিচলিত হয়ে পড়েন। কেননা অনেক শিক্ষার্থী আছেন খুব ভালো মতো পরীক্ষা দেন, এবং তারা খুবই মেধাবী কিন্তু, এরা সবার সামনে তেমন একটা কথা বলতে পারে না, সমস্যা এখানেই। যখন মৌখিক পরীক্ষার শিক্ষক এদের পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন করে অনেক সময় জানা প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েও এরা বিচলিত হয়ে পড়ে। তাই ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে প্রাকটিস করা উচিত। সঠিক অনুশীলন মৌখিক পরীক্ষার জড়তা দূর করতে পারে। 

গ. স্বাস্থ্য পরীক্ষা 

উপরের যে দুইটি ওয়েবসাইট দেওয়া আছে সেখান থেকে আপনি মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় দেখে নিতে পারবেন। স্বাস্থ্য  পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা। এখানে প্রার্থীর শারীরীক ও মানসিক সমস্যা খুবই গুরুত্বের সাথে দেখা হয় । অনেকেই মনে করেন যে এই স্বাস্থ্য পরীক্ষা টাকার বিনিময়ে পাশ করানো সম্ভব কিন্তু যাদের এমন ধারনা আছে এই ধারনা সম্পূর্ণ ভুল। শারিরীকভাবে ফিট থাকতে নিয়মিত শারীরীক চর্চা করতে পারেন। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই শারীরিক কোন জটিলতা থাকলে সেই সকল বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা উচিত এবং প্রয়োজনে ডাক্তার দেখানো উচিত। অনেকের নাকে পলিপাস, চোখে সমস্যা এবং কানে সমস্যা থাকে এ সকল বিষয় ই ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার আগে সারিয়ে তুলুন।
নিচে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তির আসল বিজ্ঞপ্তি থেকে ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে



৪. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস জেনে নিন এই অংশ থেকে। সঠিক প্রিপারেশন এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস জেনে নিয়ে সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করে খুব সহজে কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যায়। 
ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষা তিনটি পর্যায়ে সংগঠিত হয়ে থাকে।
  1. লিখিত পরীক্ষা- ৩০০ নম্বর।
  2. মৌখিক পরীক্ষা - ৫০ নম্বর।
  3. স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

ক্যাডেট ভর্তি পরীক্ষার নম্বর বন্টন বা মান বন্টন

  1. ইংরেজি - ১০০ নম্বর
  2. গণিত - ১০০ নম্বর
  3. বাংলা - ৬০ নম্বর
  4. সাধারণ জ্ঞান(বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, আইসিটি, সাধারণ জ্ঞান) - ৪০ নম্বর
ইংরেজি, গণিত, বাংলা ও সাধারণ জ্ঞানের জন্য নিচে সিলেবাস প্রদান করা হলো। অর্থাৎ ইংরেজি ,গণিত, বাংলা ও সাধারণ জ্ঞানের জন্য নিচের টপিকগুলো পড়লে ইনশাল্লাহ পরীক্ষায় ভালো করবেন।

1. ইংরেজি ১০০ মার্কের সিলেবাস

  1. sentence.
  2. parts of speech.
  3. gender.
  4. number.
  5. punctuation and use of capital letter
  6. subject and predicate.
  7. tense.
  8. agreement of subject and verb
  9. correction of verbs.
  10. transformation of sentences.
  11. contractions.
  12. re-arrange jumbled words to make sentences.
  13. spelling.
  14. phrases and idioms.
  15. paragraph writing
  16. story writing from given outline
  17. comprehension
  18. argumentative essay
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার জন্য ইংরেজি এর এই সিলেবাস ভালোভাবে রপ্ত করলে আশা করা যায় অনেক ভালো ফল করবে একজন পরীক্ষার্থী। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষা সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে থাকুন।

2. গণিত পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সিলেবাস

নিচে গণিত পরীক্ষার সম্পূর্ণ সিলেবাস প্রদান করা আছে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস এর মধ্যে গণিত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই একটু আগে থেকেই গণিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে থাকুন।
  1. স্বাভাবিক সংখ্যা ও ভগ্নাংশ।
  2. অনুপাত ও শতকরা।
  3. পূর্ণ সংখ্যা।
  4. বীজ গণিতীয় রাশি।
  5. সরল সমীকরণ।
  6. জ্যামিতির মৌলিক ধারণা।
  7. ব্যবহারিক জ্যামিতি।
  8. তথ্য ও উপাত্ত।
  9. বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক অংক।
গণিত পরীক্ষার সিলেবাস একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলে আপনি দেখবেন অধিকাংশ টপিকই কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেণীর। অর্থাৎ গণিত পরীক্ষা সিলেবাস আপনার আগেই সম্পূর্ণ করতে হবে মানে পূর্ববর্তী শ্রেণীর পড়াশোনা গুলো ভালোভাবে রপ্ত করতে পারলে আপনার জন্য ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষা খুব বেশি কঠিন মনে হবে না। পরীক্ষার্থীর কাছে সাধারণত ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষা সিলেবাস এর মধ্যে গণিত পরীক্ষা সিলেবাস টা একটু কঠিন মনে হয় কিন্তু নিয়মিত চর্চা করলে আশা করা যায় গণিত পরীক্ষা সিলেবাসটাও অনেকটা সহজ হয়ে আসবে।

3. ক্যাডেট ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা পরীক্ষার সিলেবাস

ক্যাডেট ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা পরীক্ষার সিলেবাস অনেকের কাছে সহজ মনে হলেও মানুষ যতটা সহজ মনে করে ঠিক ততটা সহজ নয়। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা সিলেবাসের অংশ থেকে ৬০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বাংলা পরীক্ষার সিলেবাস এ বিশেষ করে ব্যাকরণে অংশটা অনেকের কাছে জটিল মনে হয়। তাই ক্যাডেট কলেজ ভর্তির সিলেবাসে বাংলা ব্যাকরণের সিলেবাসটাকে একটু গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রস্তুতি নিলে খুব সহজেই ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফল করা যাবে। নিম্নে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বাংলা সিলেবাস দেওয়া হল-

 ব্যাকরণ অংশ

  1. ভাষা ও বাংলা ভাষা, ধ্বনিতত্ত্ব, রূপ তত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও বাগর্থ।
  2. শব্দ ও পদ পরিচয় শব্দ, পদ, পদের শ্রেণীবিভাগ, পদ পরিবর্তন, বিপরীত শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ ও সংখ্যা বাচক শব্দ।
  3. লিঙ্গ।
  4. বচন।
  5.  ক্রিয়ার কাল : শ্রেণীবিভাগ ও প্রয়োগ।
  6. কারক।
  7. বাগধারা।
  8. এক কথায় প্রকাশ।
  9. বিরাম চিহ্ন।

নির্মিতি বা রচনা রীতি অংশ

  1. ভাব সম্প্রসারণ।
  2. অনুচ্ছেদ লিখন বা যুক্তিভিত্তিক অনুচ্ছেদ (১০ থেকে ১৫ বাক্য)।
  3. অনুধাবন।
  4. সারাংশ ও সারমর্ম।
বাংলা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে বাংলা পরীক্ষার সিলেবাস মনোযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ করুন। পাশাপাশি বাংলা বানান যেন ভুল না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। নির্মিতি বা রচনা অংশে ভালো করা তুলনামূলক সহজ এখানে নিজের মতো ক্রিয়েটিভিটি প্রয়োগ করে লেখা যায়। কিন্তু বাংলা ব্যাকরণ অংশ ভালো করা তুলনামূলক কঠিন তাই বারবার প্র্যাকটিস করতে হবে উক্ত অংশ। সর্বোপরি ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিন।

3. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান সিলেবাস

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান সিলেবাস অংশ থেকে 40 নম্বরের একটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ জ্ঞান সিলেবাস অংশে কয়েকটি বিভাগ রয়েছে যেমন সাধারণ জ্ঞান সিলেবাস অংশের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এবং সাধারণ জ্ঞান। সাধারণ জ্ঞান সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত যে সকল বিষয় রয়েছে তা নিম্নে প্রদান করা হলো-
  1. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস।
  2. বিশ্ব ও বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিষয়।
  3. বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী।
  4. বিশ্ব ও বাংলাদেশের চলতি ঘটনাবলী।
  5. বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজ সমূহ।
  6. বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি।
  7. খেলাধুলা।
  8. সাধারণ বিজ্ঞান।
  9. পরিবেশ ও দৈনন্দিন জীবন।
  10. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
সাধারণ জ্ঞানের সিলেবাস বড় হলেও এখান থেকে মাত্র ৪০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তাই, এত বড় অংশ ভালোভাবে রক্ত করতে গিয়ে অনেকেই ভর্তি পরীক্ষায় খারাপ করে ফেলে। পরীক্ষার্থীদের এই অংশে কম গুরুত্ব দিয়ে যে অংশগুলোতে বেশি নম্বর প্রদান করা হয় সে অংশগুলোতে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। ইংরেজি, গণিত ও বাংলা অংশ ও ভালোভাবে রক্ত করার পর যদি সময় পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান অংশটি রপ্ত করতে হবে। প্রথমেই সাধারণ জ্ঞান অংশ রপ্ত করতে গেলে প্রস্তুতিতে বাকি অংশগুলো দুর্বল হয়ে পড়বে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিন।

৫. ক্যাডেট কলেজে ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র | ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩

ক্যাডেট কলেজে ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  ক্যাডেট কলেজ সকল নিয়ম নীতি খুব কঠোরভাবেই পালন করে থাকে। কলেজ ভর্তি পরীক্ষার জন্য যে সকল কাগজপত্র সবার জন্যই দরকার তার নিম্নে দেওয়া হলো- 
  1. ভর্তি পরীক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী/ প্রাথমিক ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী/ সমমান পরীক্ষার সত্যায়িত সনদপত্র। ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নরত প্রার্থীর পঞ্চম অথবা সমমান শ্রেণীতে উত্তীর্ণের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র।
  2.  ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন অথবা জন্ম সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
  3. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার্থীর পিতা অথবা অভিভাবক ও মাতার মাসিক আয়ের স্বপক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন পত্র।
  4. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার্থীর পিতা ও মাতা বা অভিভাবক উভয়ের জাতীয় পরিচয় পত্র, টিআইএন এবং পাসপোর্ট (যদি থাকে) সত্যায়িত ফটোকপি (জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে যুক্তিযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক প্রত্যয়ন পত্র)। এখানে পাসপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ না এবং টিআইএন এটাও গুরুত্বপূর্ণ না তবে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার্থীরা পিতা এবং মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ। না থাকলে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে স্থানীয় প্রতিনিধি অথবা প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কোন অফিসারের থেকে সত্যায়িত সনদপত্র সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে।
  5. প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ষষ্ঠ অথবা সমমানের (যে কোন মাধ্যম) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সাল এবং রোল নম্বর উল্লেখপূর্বক সনদপত্র। ষষ্ঠ শ্রেণীর পরীক্ষার ফলাফল প্রদান না করলে, প্রধান শিক্ষক কর্তৃক এই মর্মে একটি সনদপত্র সংগ্রহ করতে হবে যে, '(নাম) .......  রোল নাম্বার....... ... অত্র ইস্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণি/ সমমান বার্ষিক পরীক্ষায় (বাংলা অথবা ইংরেজি).......... মাধ্যম বা ভার্সনে অংশগ্রহণ করেছে এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে।' অর্থাৎ প্রধান শিক্ষকের নিকট হতে এমন একটি সনদপত্র সংগ্রহ করতে হবে যেখানে বলা থাকবে যে আপনি ষষ্ঠ শ্রেণীর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবেন।
  6. বাংলায় না আবেদনপত্রে যে ছবি আপলোড করা হয়েছে তার অনুরূপ পাসপোর্ট সাইজের চার কপি রঙিন ছবি এবং ৪ কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি যুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ এখানে পাসপোর্ট সাইজের ৪ কপি এবং স্টাম্প সাইজের ৪ কপি মোট আট কপি ছবি প্রয়োজন হবে।
  7. সত্যায়িত ফটোকপিতে প্রত্যয়ন কারীর নাম ও পদমর্যাদা সহ অফিশিয়াল সিল ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ যে প্রত্যয়ন করছে, বা যে অফিসার প্রত্যয়ন করছে তার পদমর্যাদা সহ অফিশিয়াল সিল ব্যবহার করতে হবে তার সাথে স্বাক্ষর তো থাকবেই।
  8. যাদের কোটা রয়েছে সেসব কোটার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে যা নিচের বিজ্ঞপ্তিতে বলা রয়েছে।

নিচে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তির আসল বিজ্ঞপ্তি থেকে ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে





৬.  ক্যাডেট কলেজে আবেদনের নিয়ম | ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষা

অনেকের কাছে ক্যাডেট কলেজে আবেদনের নিয়ম অনেক জটিল মনে হয়। কিন্তু ক্যাডেট কলেজে আবেদনের নিয়ম খুবই সহজ। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন এখন অনলাইনে ঘরে বসে করা সম্ভব। ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন সম্পূর্ণ করার জন্য আপনাকে নিচের ওয়েব সাইটে গিয়ে 'Admission' menu click করতে হবে এবং পরবর্তী প্রক্রিয়াটি নিচের ছবিতে প্রদান করা আছে সে অনুযায়ী আপনি আবেদন ফরম পূরণ করবেন
আবেদনের ওয়েবসাইট লিংক  : www.cadetcollege.army.mil.bd



৭. পরীক্ষার ফি এবং জমা দেওয়ার পদ্ধতি | ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষা

ক্যাডেট কলেজের ভর্তি ফি দেওয়ার পদ্ধতি কি  তা অনেকেই জানেন না।  কিভাবে ভর্তি পরীক্ষার ফি আপনি জমা দেবেন? এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আপনি নিচের প্রদর্শিত ছবির দিকনির্দেশনা অনুসরণ করলে খুব সহজেই ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারবেন।


৮. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন | ক্যাডেট কলেজ ভর্তি

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন জানা খুবই প্রয়োজন।
ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষা তিনটি পর্যায়ে সংগঠিত হয়ে থাকে।
  • লিখিত পরীক্ষা- ৩০০ নম্বর।
  • মৌখিক পরীক্ষা - ৫০ নম্বর।
  • স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

লিখিত পরীক্ষার মানবন্টন

  • ইংরেজি - ১০০ নম্বর
  • গণিত - ১০০ নম্বর
  • বাংলা - ৬০ নম্বর
  • সাধারণ জ্ঞান(বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, আইসিটি, সাধারণ জ্ঞান) - ৪০ নম্বর

৯. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যম 

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পর্কে অনেকে অবগত নন। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমিক নিয়ে যারা দুশ্চিন্তায় আছেন আশা করি তাদের উপকার হবে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা এবং ইংরেজি উভয়ের মাধ্যমেই পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব। 

১০. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি প্রস্তুতি 

কিভাবে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলে সফল হবেন, তার পরিকল্পনা জানানোর চেষ্টা করব এই অংশে।

১১. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি কোথায় পাবেন? ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি কখন প্রকাশিত হয়? কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি কী? সে সকল বিষয় নিয়ে এই অংশে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি এবং ভর্তি পরীক্ষা সিলেবাস অর্থাৎ টোটাল দিক নির্দেশনা আপনাদের প্রদান করার চেষ্টা করেছি আশা করি আপনারা আমাদের এই তথ্য থেকে উপকৃত হবেন।
ক্যাডেট কলেজের প্রতিটি বিষয় আমরা আমাদের এই আর্টিকেলে আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে হাটে কিন্তু পড়েন আশা করছি সফল তথ্য আপনারা জানতে এবং বুঝতে পারবেন অনেক সময় অনেক তথ্য অনেক জটিল মনে হয় আমরা সকল তথ্য খুব সহজভাবে আপনাদের বিস্তারিত আলোচনা করার মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করেছি।

১২. ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল কখন প্রকাশিত হয়? এবং কিভাবে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আপনি দেখবেন? এ সম্পর্কে সঠিক নির্দেশনা প্রদান করা হবে এই অংশে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আপনারা ক্যাডেট কলেজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন ক্যাডেট কলেজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এর লিংক: www.cadetcollege.army.mil.bd আপনারা এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখলেই ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল খুব সহজেই জানতে পারবেন।

১৩. ক্যাডেট কলেজ কতটি এবং কি কি?

ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে জানা তাদের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ যারা ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হতে চায়। এতে করে ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা তৈরি হবে। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত মোট 12 টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে । 
বারোটি ক্যাডেট কলেজ এর মধ্যে নয়টি ক্যাডেট কলেজে ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই পড়ানো হয়। বাকি তিনটি ক্যাডেট কলেজে শুধু মেয়েদের অর্থাৎ বালিকাদের শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে। 
বাংলাদেশের এই মোট 12 টি ক্যাডেট কলেজ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন দক্ষ অধ্যক্ষের দ্বারা সুপরিচিত এবং ক্যাডেট কলেজ সমূহের সুনাম সারা বাংলাদেশে প্রশংসিত। 
  1. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।
  2. ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ।
  3. রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ।
  4. পাবনা ক্যাডেট কলেজ।
  5. মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ।
  6. সিলেট ক্যাডেট কলেজ।
  7. রংপুর ক্যাডেট কলেজ।
  8. বরিশাল ক্যাডেট কলেজ।
  9. কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ।
  10. ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
  11. জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
  12. ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ।

১৪. লেখক এর মন্তব্য

ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষার বিশাল প্রতিযোগিতায় আপনাকে বলে দেয় যে, ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা করার সুযোগ সুবিধা কত বেশি? ক্যাডেট কলেজ সমূহের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সুদক্ষ সেনা অফিসার তৈরি করা এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সুদক্ষ নেতৃত্ব তৈরি করা। 
ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা শেষ করে সেনা অফিসার হওয়ার নিয়োগ পরীক্ষায় ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুযোগ পেয়ে থাকে। ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা শেষ করে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে বেশ কিছু সেনা অফিসার নিয়োগ প্রদান করে থাকে সেনাবাহিনী সে পরীক্ষায় এবং নিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা করেছে তাদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়।
ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সহ-শিক্ষা কার্যক্রম খেলাধুলা বিতর্ক সহ বিভিন্ন কলাকৌশলীতে শিক্ষার্থীদের পারদর্শী করে তোলা হয়ে থাকে। ক্যাডেট কলেজ সমূহ শতভাগ আবাসিক সুবিধা প্রদান করে থাকে। এখানে শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা সুস্বাস্থ্যের পাশাপাশি সুস্থ শরীর এবং সুস্থ মন তৈরি করা হয়ে থাকে যেন শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে নেতৃত্ব প্রদান করতে পারে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে ক্যাডেট কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি কার্যকর এবং সুশৃঙ্খলিত। তাই দেখা যায় যে, অভিভাবকদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজে সন্তানদের ভর্তি করানো। তবে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি করানো মানেই যে ভবিষ্যৎ নিশ্চিত এমন নয়। ক্যাডেট কলেজে ভালোভাবে অর্থাৎ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকলে ভবিষ্যতে ভালো কিছু করতে পারবে তাছাড়া ঝড়ে পড়া সম্ভবনাও এখানে বেশ রয়েছে। অনেকে এত সুশৃঙ্খলিত জীবন যাপনে অভ্যস্ত নয় সে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক কঠিন হয়ে যায় ক্যাডেট কলেজের বিভিন্ন রুলস রেগুলেশন। এখানে ঠিক সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আপনাকে শরীর চর্চা করতে হবে আবার একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সবাইকে ঘুমিয়ে যেতে হয় এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন কঠিন কঠিন রুলস এবং নিয়ম-কানুন।

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?